বাংলাদেশের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে জাপানের বিনিয়োগ আগ্রহ
বাংলাদেশের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপানের শীর্ষস্থানীয় শিপিং কোম্পানি মিতসুই ওএসকে লাইনস (এমওএল)। ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে শিল্প মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে এ আগ্রহের কথা জানানো হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৬:০১· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপানের শীর্ষস্থানীয় শিপিং কোম্পানি মিতসুই ওএসকে লাইনস (এমওএল)। দেশটির এই বৃহৎ কোম্পানির পক্ষ থেকে এমন আগ্রহের কথা জানানো হয়েছে, যা দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও শিল্প উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই বিষয়ে আলোচনার অংশ হিসেবে গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে রাজধানী ঢাকার শিল্প মন্ত্রণালয়ে শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে মিতসুই ওএসকে লাইনসের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেছে। বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে দেশের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের বিভিন্ন সম্ভাবনা ও পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে উপস্থিত প্রতিনিধিদলে মিতসুই ওএসকে লাইনস তথা এমওএলের পক্ষ থেকে কেনতারো উয়েদা, তাকাহা উয়েমাতসু এবং সেনজি তোকুমোতো অংশ নেন। অন্যদিকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষে বৈঠকে Abdun Naser Khan (আব্দুন নাসের খান)সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যারা জাপানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের শিল্প খাতের বর্তমান চিত্র তুলে ধরে শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ও জাহাজ নির্মাণ শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, এ দুটি খাতের উন্নয়ন কেবল দেশের সাধারণ শিল্প সক্ষমতাই বাড়াবে না, বরং এর মাধ্যমে প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ জনবল তৈরি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং দেশের সামগ্রিক রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও এটি অত্যন্ত সহায়ক হবে।
তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৩১টি গ্রিন শিপ রিসাইক্লিং ফ্যাসিলিটি চালু রয়েছে। পরিবেশবান্ধব এই খাতটিকে আরও এগিয়ে নিতে বর্তমান সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে এবং আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই গ্রিন শিপ রিসাইক্লিং ফ্যাসিলিটির সংখ্যা তিন অঙ্কে উন্নীত করার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। জাপানি কোম্পানির বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এই লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।








