বাণিজ্যিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ ভারতীয় হাই কমিশনারের
ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৪ আগস্ট সচিবালয়ে এই বৈঠকে সীমান্ত হাট পুনরায় চালু এবং স্থলপথে সুতা আমাদানি চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। গত ২৪ আগস্ট রাজধানীর সচিবালয়ে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। দুই দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার নানা দিক নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল দুই দেশের সীমান্তগুলোকে পুরোপুরি কার্যকর করা এবং দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সীমান্ত বাজার বা সীমান্ত হাটগুলো পুনরায় চালু করা। এছাড়া স্থলপথ দিয়ে সুতা আমদানি পুনরায় চালুর বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বৈঠকে স্থান পায়। বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপগুলো অত্যন্ত তাৎপর্য়পূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
বৈঠক চলাকালীন দুই দেশের ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব নিয়ে নিজের সুনির্দিষ্ট মতামত তুলে ধরেন ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। রাজনৈতিক পরিস্থিতির ঊর্ধ্বে গিয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, "আসুন, আমরা ব্যবসায়িক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাই, রাজনীতি তার নিজের পথে চলবে।"
বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক নির্ভরশীলতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানের পথ বাতলে দিতে গিয়ে তিনি বলেন, "ইন্টারডিপেন্ডেন্সি বা পারস্পরিক নির্ভরতাই দীর্ঘমেয়াদে একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে।"
বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্ত বাণিজ্য এবং স্থলপথে সুতা আমদানির মতো অমীমাংসিত বা বন্ধ থাকা বিষয়গুলো চালু হলে উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন।
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী উভয়েই অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন। আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে তাদের এই আলোচনা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।








