বগুড়ায় কৃষকের মুলার বীজ রক্ষায় মাঠে কাকতাড়ুয়া স্থাপন করা হয়েছে। ফসলের ক্ষেতে পাখি বা অন্যান্য পশুপাখির উপদ্রব থেকে ফসল ও বীজ রক্ষা করার জন্য এই প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে।
বগুড়ার এই কৃষক তার জমিতে মুলার বীজ বুনেছিলেন। কৃষি কাজে আধুনিক বিভিন্ন পদ্ধতির ছড়াছড়ি থাকলেও তিনি ঐতিহ্যগত ও দেশীয় উপায়ে নিজের ক্ষেত রক্ষার এই কৌশল বেছে নেন।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, কৃষক মাহফুজার রহমান ৪০ শতাংশ জমিতে মুলার বীজ বুনেছেন। এত বড় জমিতে বীজ বপন করার পর তা থেকে কাঙ্ক্ষিত ফসল পাওয়ার আশা করেছিলেন তিনি।
তবে বীজ থেকে চারা গজানোর আগেই বিপত্তি দেখা দেয়। ক্ষেতে বিভিন্ন পাখি হানা দিয়ে বীজ নষ্ট করতে শুরু করে। পাখির এমন উপদ্রবে কৃষকের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে।
পাখির আক্রমণ থেকে মুলার বীজ রক্ষা করার জন্য তিনি তাৎক্ষণিকভাবে একটি পরিকল্পনা করেন। এই উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি তিনটি কাকতাড়ুয়া তৈরি করেন।
তৈরি করার পর সেই কাকতাড়ুয়াগুলো তিনি নিজের জমিতে স্থাপন করেন। আশা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে পাখির উপদ্রব কমবে এবং তার কষ্টার্জিত বীজ সুরক্ষিত থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।
বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।