পাবনা ও সিরাজগঞ্জে ভেজাল দুধ উৎপাদন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
পাবনা ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় সোডা, সয়াবিন তেল, চিনি ও পানি মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে ভেজাল দুধ। গত ২৬ আগস্ট চাটমোহরে প্রায় ৩০০ লিটার ভেজাল দুধ জব্দ করা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন সংস্থার অভিযানে গত এক বছরে ফরিদপুর ও পাবনায় অন্তত ১২ জনকে কারাদণ্ড বা জরিমানা করা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৯:২০· ১ মিনিট পড়া

পাবনা ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ভেজাল ও পচনশীল দুধ উৎপাদনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোডা, সয়াবিন তেল, চিনি, লবণ ও পানি এবং অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদান মিশিয়ে এই ভেজাল দুধ তৈরি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ এই অপরাধ দমনে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
এই অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে নিয়মিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযאןের অংশ হিসেবে পাবনার ফরিদপুর উপজেলার ডেমরা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ভেজাল দুধ জব্দ করার পাশাপাশি তা ধ্বংস করা হয়েছে।
চলমান এই ভেজালবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় গত ২৬ আগস্ট চাটমোহরে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। এই অভিযানে প্রায় ৩০০ লিটার ভেজাল দুধ জব্দ করা হয়েছে। দুধের নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে এই প্রতারণা রোধে প্রশাসনের এমন কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে।
এর আগেও ভেজাল দুধ তৈরির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে ফরিদপুর ও পাবনায় ভেজাল দুধ তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে অন্তত ১২ জন ব্যক্তিকে কারাদণ্ড বা জরিমানা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এসব দণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়।
এই পুরো কার্যক্রমে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই, জাতীয় ভোক্তা–অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সম্মিলিতভাবে কাজ করছে। প্রথম আলো পত্রিকার সূত্রে এই অঞ্চলের ভেজাল দুধ উৎপাদন ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে।
জনসাধারণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এবং খাদ্যপণ্যে ভেজাল মেশানোর মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমনে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।








