নেপালের রাসুয়ায় পাহাড় ধস, নদীর প্রবাহ বন্ধ হয়ে আকস্মিক ঢল
২৬ আগস্ট সকালে উত্তর নেপালের রাসুয়ায় নেপাল-চীন সীমান্তে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। এর ফলে নদীর প্রবাহ সাময়িক বন্ধ হয়ে আকস্মিক ঢল সৃষ্টি হয়, যা সিসমোমিটারে ৫.২ মাত্রার কম্পন হিসেবে ধরা পড়ে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

২৬ আগস্ট সকালে উত্তর নেপালের রাসুয়ায় নেপাল-চীন সীমান্তে একটি বড় ধরনের প্রাকৃতিক ঘটনা ঘটে। এই এলাকায় বরফ ও পাথরের বিশাল অংশ ধসে পড়ে লহেন্দে খোলা নদীতে। পাহাড় ধসের এই আকস্মিক ঘটনার কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, পাহাড় ধসের ফলে নদীর প্রবাহ কয়েক মিনিট আটকে থাকে। এরপর নদীর ওই স্থানে সাময়িক বাঁধের সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে সেই বাঁধে জমে থাকা পানি একসঙ্গে নেমে এসে তীব্র আকস্মিক ঢলের সৃষ্টি করে।
এই পাহাড় ধস ও পরবর্তীতে সৃষ্টি হওয়া পানির তীব্র ঢলের অভিঘাত অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল। এর তীব্রতা বিভিন্ন দেশের সিসমোমিটারে ধরা পড়ে। সেখানে এই ভূ-কম্পনের মাত্রা ৫২ মাত্রার কম্পন হিসেবে রেকর্ড করা হয়।
প্রাথমিকভাবে এই তীব্র কম্পন নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হলেও বিষয়টি পরিষ্কার করে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা। সংস্থাটি জানায় যে, ওই সময় অনুভূত হওয়া কম্পনটি আসলে কোনো ভূমিকম্প ছিল না।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি মূলত পাহাড় ধসের ফলে সৃষ্ট অভিঘাত বা ধাক্কা ছিল, যা সিসমোমিটারে কম্পন হিসেবে ধরা পড়েছিল। চ্যানেল ২৪-এর মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
উত্তর নেপালের রাসুয়া ও নেপাল-চীন সীমান্ত অঞ্চলে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি প্রাকৃতিক ও ভৌগোলিক কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাহাড় ধস এবং নদীর প্রবাহ সাময়িক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে সৃষ্ট এই পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নজরদারি বজায় রয়েছে।








