দেশে হামের প্রাদুর্ভাব: টিকাদানের লক্ষ্য অর্জনে ঘাটতি
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও ব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসার ঘাটতিতে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি বা ইপিআইয়ের ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে ৯৫ শতাংশকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য এখনো পূরণ হয়নি।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষণে জানা গেছে যে, বর্তমানে বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্বাস্থ্যখাতে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতার কথা উঠে এসেছে, যা রোগটি নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের প্রাদুর্ভাব সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে দেশের মোট জনগোষ্ঠীর অন্তত ৯৫ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনা অত্যন্ত প্রয়োজন। এই উচ্চ মাত্রার কভারেজ অর্জন করা সম্ভব হলেই কেবল রোগটির বিস্তার রোধ করা যায়।
তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দেখা গেছে যে, কাঙ্ক্ষিত সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। বিশেষ করে, ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে প্রয়োজনীয় ৯৫ শতাংশ টিকাদানের লক্ষ্য এখনো পূরণ করা সম্ভব হয়নি।
বিশ্লেষণে আরও উঠে এসেছে যে, মহামারী বা প্রাদুর্ভাবের শুরুর দিকে পর্যাপ্ত টিকার স্বল্পতা ছিল। এই প্রাথমিক সরবরাহ সংকট টিকাদান কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা তৈরি করেছিল।
শুধু টিকার স্বল্পতাই নয়, এর পাশাপাশি সামগ্রিক টিকা ব্যবস্থাপনা এবং রোগীদের জন্য যথাযথ চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ঘাটতি রয়েছে। এই সমন্বিত ঘাটতিগুলোর কারণেই মূলত দেশে হামের প্রাদুর্ভাব সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, হামের এই সংক্রমণ রোধ করতে হলে টিকাদান ব্যবস্থাপনার ত্রুটিগুলো দ্রুত দূর করতে হবে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসার মানোন্নয়ন করে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।








