ঢাবিতে হাওরের বন্যা পূর্ব সতর্কীকরণ প্রকল্পের উদ্বোধন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘হাওরের বন্যা পূর্ব সতর্কীকরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। জাইকা ও জেএসটির অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘হাওরের বন্যা পূর্ব সতর্কীকরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। ১৭ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। দেশের হাওর অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় এই গবেষণা প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। দেশের উচ্চশিক্ষার অন্যতম এই বিদ্যাপীঠের শীর্ষ নির্বاهীর উপস্থিতিতে প্রকল্পটি চালুর মাধ্যমে হাওর অঞ্চলে বন্যা পূর্বভাসের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে।
গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ও সহায়তার মাধ্যমে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটি যৌথভাবে অর্থায়ন করছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) এবং জাপান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংস্থা (জেএসটি)। জাপানের এই দুটি খ্যাতনামা সংস্থার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও দেশি-বিদেশি বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানের বিশিষ্ট গবেষক ও প্রতিনিধিরা সম্পৃক্ত রয়েছেন। এই প্রকল্পের সাথে যুক্ত রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) এবং জাপান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংস্থা (জেএসটি)।
এছাড়াও প্রকল্পটির অংশীদার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়, কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়, টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। পাশাপাশি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বিডব্লিউডিবি), বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর (ডিডিএম) এবং স্পারসো এই উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে।
তালিকায় আরও রয়েছে সার্ভে অব বাংলাদেশ (এসওবি), ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) এবং কোচি বিশ্ববিদ্যালয়। অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. তোরু তেরাও, অধ্যাপক ড. তাইচি হায়াশি, অধ্যাপক ড. কিগুচি মাসাশি, ড. মো. রেজোয়ানুল ইসলাম ফাহিম এবং ড. ফাতিমা আক্তারসহ সংশ্লিষ্ট গবেষক ও ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সব মিলিয়ে জাপান ও বাংলাদেশের একাধিক শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি সংস্থার সম্মিলিত প্রয়াসে এই প্রকল্পটি হাওর অঞ্চলের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করে তুলতে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।








