ঢাকায় পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার লক্ষ্যে নাগরিকদের সচেতন ও সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান
ঢাকায় পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার লক্ষ্যে নাগরিকদের সচেতন ও সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন বর্জ্য ড্রেন ও নালা-নর্দমায় ফেলার কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়ে জলাবদ্ধতা তৈরি হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ঢাকায় একটি পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাধারণ নাগরিকদের সচেতনতা এবং সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানানো হয়। নগরবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া রাজধানী ঢাকাকে পুরোপুরি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখা সম্ভব নয় বলে মনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এই কার্যক্রমে নগরবাসীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছাড়া শহরের সামগ্রিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা কঠিন।
নগরীর বর্তমান বিভিন্ন সমস্যার কারণ তুলে ধরে সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। এর মধ্যে প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য যত্রতত্র ফেলাকে অন্যতম প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন বর্জ্য নগরীর ড্রেন ও নালা-নর্দমায় ফেলার কারণে পানি নিষ্কাশন মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। এর ফলে বর্ষা বা সামান্য বৃষ্টিতেই রাজধানী ঢাকাকে জলাবদ্ধতার মতো ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ড্রেন ও নালা-নর্দমায় বর্জ্য ফেলার কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে নাগরিক সচেতনতার বিকল্প নেই। এই বিষয়ে মো. আবদুস সালাম আরও বলেছেন যে, নাগরিকরা এসব বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে জমা দিলে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশ সুরক্ষা-দুটোই সম্ভব হবে।
কর্তৃপক্ষ মনে করে, সাধারণ মানুষ যদি একটু সচেতন হন এবং প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য যত্রতত্র না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে জমা রাখেন, তবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষে শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা অনেক সহজ হবে। এর ফলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যারও একটি স্থায়ী সমাধান পাওয়া সম্ভব।
পরিশেষে, ঢাকাকে বাসযোগ্য ও পরিচ্ছন্ন নগর হিসেবে গড়ে তুলতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের এই কার্যক্রমে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার এবং যত্রতত্র আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।








