ডিএনএ গঠন ও প্রজাতি শনাক্তকরণে এর জিনগত ব্যবহার
ডিএনএ হলো দুটি লম্বা পলিমার শৃঙ্খল নিয়ে গঠিত দ্বিকুণ্ডলী বা ডাবল হেলিক্স গঠন। মানুষের ডিএনএতে প্রায় ৩০০ কোটি বেস পেয়ার রয়েছে এবং প্রজাতি শনাক্তকরণে প্রাণীতে CO1 জিন এবং উদ্ভিদে rbcL বা matK জিন ব্যবহার করা হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ডিএনএ হলো মূলত দুটি অত্যন্ত লম্বা পলিমার শৃঙ্খল, যা পরস্পর পেঁচিয়ে একটি ডাবল হেলিক্স বা দ্বিকুণ্ডলীর মতো গঠন সৃষ্টি করে থাকে। জীববিজ্ঞানের এই মৌলিক গঠনটি জিনগত তথ्याদি সংরрণ ও স্থানান্তরের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
মানবদেহের এই জিনগত উপাদানের পরিধি অত্যন্ত বিশাল। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, মানুষের ডিএনএতে প্রায় ৩০০ কোটি বেস পেয়ার বা ক্ষারক যুগল রয়েছে, যা মানব শরীরের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও কার্যাবলী নির্ধারণ করে।
প্রাণীজগতের বৈচিত্র্য এবং প্রজাতি শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে ডিএনএ বারকোডিং একটি কার্যকর পদ্ধতি। প্রাণীদের ক্ষেত্রে এই বারকোডিংয়ের মূল অংশটি অবস্থিত থাকে মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিএনএতে।
নির্দিষ্ট করে বললে, প্রাণীদের ডিএনএ বারকোডিংয়ের জন্য মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিএনএতে অবস্থিত সাইটোক্রোম সি অক্সিডেজ সাবইউনিট ১ ব্যবহার করা হয়, যা সংক্ষেপে CO1 বা COX1 জিন নামে পরিচিত।
এই CO1 জিনটির প্রায় ৬৫০ বেস পেয়ার দৈর্ঘ্যের একটি নির্দিষ্ট খণ্ড রয়েছে। বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, এই নির্দিষ্ট খণ্ডটি প্রতিটি প্রাণী প্রজাতির জন্য সম্পূর্ণ আলাদা বা স্বতন্ত্র হয়ে থাকে।
অন্যদিকে, শুধু প্রাণীই নয়, উদ্ভিদজগতের ক্ষেত্রেও প্রজাতি শনাক্তকরণের আলাদা জিনগত নির্দেশক রয়েছে। উদ্ভিদের প্রজাতি নির্ধারণ ও বারকোডিংয়ের জন্য সাধারণত rbcL বা matK জিন ব্যবহার করা হয়ে থাকে।








