মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধের পর পুনরায় চালুর খবরদুর্গাপূজায় ল্যাভেন্ডার শাড়িতে জয়া আহসানের নতুন লুক প্রকাশভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ১৬০ রানের লক্ষ্য, নবির লড়াকু ইনিংসসিরাজগঞ্জে বেশি দামে ডিম বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানাবিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসেমেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধের পর পুনরায় চালুর খবরদুর্গাপূজায় ল্যাভেন্ডার শাড়িতে জয়া আহসানের নতুন লুক প্রকাশভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ১৬০ রানের লক্ষ্য, নবির লড়াকু ইনিংসসিরাজগঞ্জে বেশি দামে ডিম বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানাবিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

চাল পড়া বা বাটি চালানের শরিয়তসম্মত ভিত্তি নেই: শায়খ আহমাদুল্লাহ

ইসলামি শরিয়তে চুরি বা অপরাধ প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য-প্রমাণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। চাল পড়া বা বাটি চালান দিয়ে চোর ধরার কোনো শরিয়তসম্মত ভিত্তি বা সহিহ হাদিস নেই বলে জানিয়েছেন বিশিষ্ট ইসলামি বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহ। জাগো নিউজকে দেওয়া এক তথ্যে বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৬:১৮· মিনিট পড়া

চাল পড়া বা বাটি চালানের শরিয়তসম্মত ভিত্তি নেই: শায়খ আহমাদুল্লাহ
ছবি: জাগো নিউজ

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

বাংলাদেশে চুরি কিংবা যেকোনো অপরাধ উদঘাটন বা চোর শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে নানা ধরনের প্রচলিত কুসংস্কার ও অপ্রচলিত পদ্ধতির চর্চা লক্ষ্য করা যায়। এর মধ্যে চাল পড়া খাওয়ানো কিংবা বাটি চালান দিয়ে চোর ধরার মতো পদ্ধতি সমাজে দীর্ঘদিন ধরে চালু রয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেক সময় এসব পদ্ধতির কার্যকারিতা নিয়ে নানা বিভ্রান্তি দেখা দেয়। এ বিষয়ে ইসলামি শরিয়তের প্রকৃত বিধান কী এবং তা আদৌ সমর্থিত কি না, তা নিয়ে সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন বিশিষ্ট ইসলামি ব্যক্তিত্ব শায়খ আহমাদুল্লাহ। জাগো নিউজ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

শায়খ আহমাদুল্লাহ তার আলোচনায় অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, চাল পড়া বা বাটি চালান দিয়ে চোর ধরার পেছনে ইসলামি শরিয়তে কোনো ভিত্তি নেই। অর্থাৎ, এ ধরনের কার্যক্রমের সপক্ষে ইসলামের কোনো দালিলিক বা গ্রহণযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায় না। তিনি আরও নিশ্চিত করেছেন যে, চাল পড়া কিংবা বাটি চালানের মতো বিষয়গুলোর সপক্ষে কোনো সহিহ হাদিসও বিদ্যমান নেই। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে এগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অবৈজ্ঞানিক প্রথা মাত্র।

ইসলাম ধর্মে অপরাধ প্রমাণ এবং বিচারব্যবস্থার সুনির্দিষ্ট কিছু মূলনীতি ও পদ্ধতি রয়েছে। ইসলামি শরিয়তে যেকোনো চুরি কিংবা অপরাধ সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য-প্রমাণকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিনা প্রমাণে বা মনগড়া ও কাল্পনিক উপায়ে কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করার কোনো সুযোগ শরিয়তে রাখা হয়নি। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ বিষয়ে একটি ঐতিহাসিক ও শাশ্বত মূলনীতি ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আল-বাইয়্যিনাতু আলাল মুদ্দাই’— যার অর্থ হলো, যে ব্যক্তি দাবি করে বা অভিযোগ আনে, তাকেই প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে।

শরিয়তের এই মূলনীতির আলোকে অপরাধ প্রমাণ করতে হলে অবশ্যই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ নির্ভরযোগ্য সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। অথচ চাল পড়া বা বাটি চালানের মতো পদ্ধতিগুলোতে কোনো ধরনের আইনি বা শরিয়তসম্মত সাক্ষ্য-প্রমাণের বালাই থাকে না। বরং এসব কুসংস্কার সমাজে নানা ধরনের জটিলতা ও ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করে থাকে। অনেক সময় নিরপরাধ মানুষকে এসব পদ্ধতির মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত করার অপচেষ্টাও করা হয়, যা ইসলামি শরিয়তের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন স্থানে এখনও অনেক মানুষ না জানার কারণে বা সামাজিক প্রথার বশে এই ধরনের অন্ধবিশ্বাসের ওপর নির্ভর করার চেষ্টা করেন। ইসলামি গবেষক ও আলেমরা দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের অপসংস্কৃতি থেকে মুসলিম সমাজকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। শায়খ আহমাদুল্লাহর এই ব্যাখ্যায় এটি আরও একবার স্পষ্ট হয়েছে যে, চুরি বা অপরাধ ধরার ক্ষেত্রে শরিয়ত নির্দেশিত পথ ছাড়া অন্য কোনো কাল্পনিক বা ভিত্তিহীন মাধ্যমের কোনো স্থান নেই।

পরিশেষে, ইসলাম একটি বাস্তবসম্মত, ন্যায়ভিত্তিক ও বিজ্ঞানমনস্ক জীবনব্যবস্থা প্রদান করে। সমাজে ঘটে যাওয়া যেকোনো অপরাধ উদঘাটনে প্রচলিত আইন, সঠিক তদন্ত এবং শরিয়তসম্মত সাক্ষ্য-প্রমাণের ওপরই ভরসা রাখতে হবে। চাল পড়া বা বাটি চালানের মতো ভিত্তিহীন প্রথাগুলোর ওপর নির্ভরতা বর্জন করে ইসলাম নির্দেশিত সুনির্দিষ্ট পথ অনুসরণ করাই প্রতিটি মুসলমানের কর্তব্য বলে সংশ্লিষ্ট আলেমরা মনে করেন।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
মালদ্বীপে ইসলামি সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার গভীর প্রভাবব্রেকিং
ধর্ম

মালদ্বীপে ইসলামি সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার গভীর প্রভাব

মালদ্বীপের পর্যটনকেন্দ্রিক রিসোর্ট এলাকার বাইরে স্থানীয় দ্বীপগুলোতে ইসলামি সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার গভীর প্রভাব রয়েছে। রাজধানী মালে শহরে ৩০টিরও বেশি মসজিদ রয়েছে এবং এখানে ১৬৫৮ সালে নির্মিত ঐতিহাসিক হুকুরু মিস্কি অবস্থিত। ইউনেসকোর ঐতিহাসিক বিবরণে মালদ্বীপে ইসলাম গ্রহণের সময়কাল ১১৫৩ খ্রিস্টাব্দ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

১ মিনিট পড়া
পিতামাতার আর্থিক অসদাচরণ ও প্রতারণায় ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি
ধর্ম

পিতামাতার আর্থিক অসদাচরণ ও প্রতারণায় ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

ইসলামে পিতামাতার প্রতি সর্বোচ্চ সদাচরণের নির্দেশ দেওয়া হলেও তাদের অনৈতিক বা প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়ার সুযোগ নেই। শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, সন্তানের সম্পদে অন্যায়ভাবে দেনা তৈরি করা সম্পূর্ণ হারাম।

১ মিনিট পড়া
তুরস্কের মারদিনে ইসলাম গ্রহণ করলেন শেভন নামের পর্যটক
ধর্ম

তুরস্কের মারদিনে ইসলাম গ্রহণ করলেন শেভন নামের পর্যটক

তুরস্কের মারদিন প্রদেশের আরতুকলু জেলা মুফতির কার্যালয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন শেভন নামের এক পর্যটক। ধর্ম গ্রহণের পর তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে আবদুল্লাহ রাখেন।

১ মিনিট পড়া
ওহুদের ময়দানে শহীদ হজরত হানজালা ইবনে আবি আমির (রা.)
ধর্ম

ওহুদের ময়দানে শহীদ হজরত হানজালা ইবনে আবি আমির (রা.)

ওহুদ যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ে শহীদ হন হজরত হানজালা ইবনে আবি আমির (রা.)। অপবিত্র অবস্থায় গোসল না করেই রণক্ষেত্রে যোগ দেওয়ায় ফেরেশতারা তাকে গোসল করিয়েছিলেন বলে জানান মহানবী (সা.)। এই অলৌকিক ঘটনার কারণে তিনি 'গাসিলুল মালাইকা' বা ফেরেশতা কর্তৃক গোসলপ্রাপ্ত হিসেবে পরিচিত লাভ করেন।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER