চট্টগ্রামে শুরু হলো পুকুর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি
আজ শনিবার দুপুরে নগরের কাজির দেউরির কাজী বাড়ি পুকুর পরিষ্কারের মাধ্যমে এই বিশেষ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও সিএমপির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শুধু সরকারি উদ্যোগে একটি পরিচ্ছন্ন শহর বা সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। পরিষ্কার করা পুকুরগুলোতে পরবর্তীতে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হবে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

চট্টগ্রাম নগরে পরিবেশ রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি বিশেষ পুকুর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে বন্দরনগরীর কাজির দেউরি এলাকায় এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। জেলা প্রশাসন ও সিএমপির যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
উদ্বোধনী দিনে কাজির দেউরি এলাকার কাজী বাড়ি পুকুর পরিষ্কার করার মাধ্যমে এই কার্যক্রমের সূচনা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও ময়লা-আবর্জনায় ভরা এই পুকুরটি পরিষ্কার করার মধ্য দিয়ে নগরীর জলাশয়গুলো রক্ষা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড. মো. জিয়াউদ্দিন, মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী এবং হাসান মো. শওকত আলী। তাদের উপস্থিতিতে কাজী বাড়ি পুকুর পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়, যা নগরীর অন্যান্য পুকুরের জন্যও একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।
অনুষ্ঠানে 'পরিচ্ছন্ন করি নগর-গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম' এই স্লোগান তুলে ধরেন মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এই স্লোগানের মাধ্যমে মূলত নগর ও গ্রামের পরিবেশ সুন্দর রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে, যা উপস্থিত সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে ড. মো. জিয়াউদ্দিন বলেন, 'শুধু সরকারি উদ্যোগে একটি পরিচ্ছন্ন শহর বা সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।' তিনি আরও বলেন, 'পুকুরগুলো নগরীর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পুকুরকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।'
উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, কাজির দেউরির কাজী বাড়ি পুকুরসহ এই কর্মসূচির আওতায় পরিষ্কার করা পুকুরগুলোতে পরবর্তীতে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হবে। এর ফলে নগরীর জলাশয়গুলোতে দেশীয় মাছের বংশবিস্তার ঘটবে এবং জলজ生態ਵਿজ্ঞান বা জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার সহজ হবে।
চট্টগ্রাম নগরের পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে ও জলাধার রক্ষায় এই বিশেষ কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। আজ শনিবারের এই উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে নগরজুড়ে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।








