চট্টগ্রামে চার শতাধিক গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা
চট্টগ্রামে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া চার শতাধিক শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বুধবার রাতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজচিন্তক সাঈদ আল নোমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি এ এম নাজিমুদ্দিন।
প্রকাশ: · আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৬:১৬· ১ মিনিট পড়া

চট্টগ্রামে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল অর্জনকারী চার শতাধিক গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীকে বর্ণাঢ্য এক সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বুধবার রাতে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজচিন্তক সাঈদ আল নোমান। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি এ এম নাজিমুদ্দিন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজচিন্তক সাঈদ আল নোমান বলেন, রাজনীতিতে পূর্ণ জবাবদিহির সংস্কৃতি চালু করা এখন সময়ের দাবি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, নেতৃত্ব কোনো রাজকীয় পদ বা ক্ষমতার প্রতীক নয়, বরং নেতৃত্ব হলো জনগণের সেবক হওয়া। প্রতিটি স্তরে জবাবদিহি নিশ্চিত করা না গেলে সমাজে প্রকৃত সাম্য, ন্যায়বিচার ও জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে না বলেও তিনি জোরালো মন্তব্য করেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সাঈদ আল নোমান বলেন, তিনি কখনো তাদের কাছে এসে দোয়া চেয়ে ভোট চাননি এবং আজও কাউকে ভোট দিতে বলছেন না। তবে তরুণ প্রজন্মকে অত্যন্ত রাজনীতি সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন যে, দেশের প্রয়োজনে এবং রাষ্ট্রের প্রয়োজনে তরুণদের সচেতন নাগরিকের ভূমিকা পালন করতেই হবে। তাঁর এই দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত কৃতী শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা গভীর মনোযোগ দেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি এ এম নাজিমুদ্দিন তাঁর বক্তব্যে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ছাত্র-তরুণদের দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি ১৮ বছরের অন্ধকার শাসন ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে দেশ গঠনে তরুণ প্রজন্মের মেধাবী ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং সফল শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন এস এম নছরুল কদির, মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান, ছিদ্দিক আহমদ চৌধুরী, কামরুল হাসান, এসকে খোদা তোতন এবং আহমাদুর রহমান। এ ছাড়াও প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি, ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ বিএনপি ও শ্রমিক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এই আয়োজনে অংশ নেন।
সব মিলিয়ে চার শতাধিক গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া কৃতি শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে বুধবার রাতের এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। আমন্ত্রিত অতিথিরা কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বিভিন্ন ইতিবাচক বার্তা প্রদান করেন।








