বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
গ্রেট এগ টস ডে: অদ্ভুত ডিম ছোড়াছুড়ির অনন্য ইতিহাস
গ্রেট এগ টস ডে উপলক্ষে কাঁচা ডিম ছোড়াছুড়ির ঐতিহ্যবাহী খেলা অনুষ্ঠিত হয়। মধ্যযুগীয় ইংল্যান্ড থেকে শুরু হওয়া এই খেলায় দুজন মুখোমুখি দাঁড়িয়ে একে অপরের দিকে ডিম ছুড়ে দেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫:৪৬· ১ মিনিট পড়া
বিজ্ঞাপন
বিশ্বজুড়ে নানা ধরনের অদ্ভুত ও বৈচিত্র্যময় দিবস পালিত হয়, যার মধ্যে গ্রেট এগ টস ডে একটি অন্যতম ব্যতিক্রমী উৎসব। এই দিনে কাঁচা ডিম ছোড়াছুড়ির খেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে, যা অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বেশ কৌতূহল ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।
এই প্রতিযোগিতার নিয়ম বেশ মজার ও সতর্কতামূলক। এতে দুজন প্রতিযোগী মুখোমুখি দাঁড়িয়ে একে অপরের দিকে কাঁচা ডিম ছুড়ে দেন। প্রতিবার সফলভাবে ডিম ধরার পর তাদের মধ্যকার দূরত্ব বাড়াতে হয়, আর লক্ষ্য থাকে ডিমটি যেন কোনোভাবেই ভেঙে না যায়।
ডিম ছোড়াছুড়ির এই ধারণার ঐতিহাসিক শিকড় রয়েছে অনেক গভীরে। প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, ১৪শ শতকে ইংল্যান্ডের লিংকনশায়ারে প্রথম এই কার্যক্রমের সূচনা হয়েছিল বলে মনে করা হয়। দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা এই ঐতিহ্য সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
পরবর্তীতে এই খেলাটি আরও সুসংগঠিত রূপ লাভ করে। এর পেছনে বড় ভূমিকা পালন করে বিশ্ব ডিম নিক্ষেপ ফেডারেশন। প্রতিষ্ঠানটি ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এই অদ্ভুত খেলাধুলাকে আরও বেশি আনুষ্ঠানিকতা ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।
এই খেলার ইতিহাসে কিছু অসাধারণ সাফল্যও রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনা ঘটেছিল ১৯৮১ সালে, যখন রিস্তো আন্তিকাইনেন ৩০০ ফুটের বেশি দূরে ডিম ছোড়ার অবিস্মরণীয় ঘটনা ঘটিয়েছিলেন, যা এই ঐতিহ্যকে আরও বেশি পরিচিতি এনে দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।
বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।