গুজরাতের ঐতিহাসিক লক্ষ্মী বিলাস প্যালেস: এক নজরে
ভারতের গুজরাতের বডোদরায় অবস্থিত লক্ষ্মী বিলাস প্যালেস ১৮৯০ সালে নির্মিত হয়েছিল। প্রায় ৫০০ একর জমির উপর বিস্তৃত এই ঐতিহাসিক প্রাসাদটি বাকিংহাম প্যালেসের প্রায় চার গুণ আয়তনের।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ভারতের গুজরাতের বডোদরা শহরে অবস্থিত লক্ষ্মী বিলাস প্যালেস দেশটির অন্যতম ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপত্য। এই জমকালো প্রাসাদটি ১৮৯০ সালে মহারাজা সয়াজীরাও গায়কোয়াড় তৃতীয়ের আমলে তৈরি করা হয়েছিল। গায়কোয়াড় রাজপরিবার ও গায়কোয়াড় এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এই রাজপ্রাসাদটি দেখতে প্রতিদিন দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক ভিড় করেন।
বিশাল এলাক জুড়ে বিস্তৃত এই প্রাসাদটি প্রায় ৫০০ একর জমির উপর নির্মিত হয়েছে। এর আয়তন এতটাই বিশাল যে, এটি ব্রিটেনের বিখ্যাত বাকিংহাম প্যালেসের প্রায় চার গুণ আয়তনের সমান। রাজকীয় এই স্থাপত্য শৈলী ও বিশালতা পর্যটকদের সবসময়ই মুগ্ধ করে তোলে।
শুধু প্রাসাদ ভবনই নয়, এর মূল চত্বরের ভেতরে আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মোতি বাগ গল্ফ কোর্স এবং মহারাজা ফতেহ সিংহ মিউজিয়াম। এই মিউজিয়াম এবং প্যালেস চত্বর দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে, তবে দর্শনার্থীদের নির্দিষ্ট নিয়ম ও টিকিটের মাধ্যমে প্রবেশ করতে হয়।
পর্যটকদের জন্য এখানে আলাদা টিকিটের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রাপ্তবয়স্ক ভারতীয় নাগরিকদের জন্য প্যালেস পরিদর্শনের টিকিট মূল্য ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিদেশি পর্যটকদের জন্য এই টিকিট মূল্য ৫২৫ টাকা।
এছাড়া প্রাসাদ চত্বরে অবস্থিত মহারাজা ফতেহ সিংহ মিউজিয়ামে প্রবেশের জন্যও টিকিটের প্রয়োজন হয়। এই মিউজিয়ামে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রবেশমূল্য ৬০ টাকা এবং শিশুদের জন্য প্রবেশমূল্য রাখা হয়েছে ৪০ টাকা।
পর্যটকদের জন্য এটি একটি জনপ্রিয় ভ্রমণ গন্তব্য হলেও, দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে ছুটির দিন বা খোলার সময় সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। ঐতিহাসিক এই লক্ষ্মী বিলাস প্যালেসটি সপ্তাহের প্রতি সোমবার সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। ফলে সোমবার বাদ দিয়ে সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতে পর্যটকরা এটি ঘুরে দেখতে পারেন।








