নরওয়ের রয়শেইম হোটেল ও জোটুনহেইমেন ন্যাশনাল পার্কের ভ্রমণ
দক্ষিণ নরওয়ের জোটুনহেইমেন ন্যাশনাল পার্কের প্রান্তে অবস্থিত ঐতিহাসিক রয়শেইম হোটেলটি ১৮৫৮ সাল থেকে পাহাড়প্রেমীদের আতিথ্য দিয়ে আসছে। গ্রীষ্মকালে এখানকার প্রকৃতির নান্দনিক রূপ এবং গালধোপিগেন পর্বতের ইতিহাস ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণ করে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

দক্ষিণ নরওয়ের জোটুনহেইমেন ন্যাশনাল পার্কের প্রান্তে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক এবং নান্দনিক স্থান হলো রয়শেইম। এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব ভ্রমণপিপাসু মানুষের মনে গভীর দাগ কাটে। বিশেষ করে পাহাড়ি পরিবেশ ও অনন্য স্থাপত্যশৈলীর কারণে এই এলাকাটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
এই এলাকার একটি অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো গ্রাসে ঢাকা ছাদযুক্ত ঐতিহ্যবাহী হোটেলটি। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই হোটেলটি পর্যটকদের আকর্ষণ করে আসছে। দীর্ঘ সময় ধরে পাহাড়প্রেমীদের সেবা দিয়ে যাওয়া এই হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৫৮ সালে।
রয়শেইম হোটেলের চারপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশ অত্যন্ত মনোরম। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে এখানকার আবহাওয়া এবং আলোর খেলা ভিন্ন এক মাত্রা যোগ করে। এই সময়ে এখানকার প্রকৃতিতে এক অনন্য দৃশ্য দেখা যায়, যেখানে গ্রীষ্মকালে এখানে রাত ১১টা পর্যন্ত সূর্যের আলো থাকে।
অত্র অঞ্চলের ভৌগোলিক গুরুত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নরওয়ের সর্বোচ্চ পর্বত গালধোপিগেন। এই সুউচ্চ পর্বতটির উচ্চতা ২ হাজার ৪৬৯ মিটার বা ৮ হাজার ১০০ ফুট। এর বিশালতা এবং উচ্চতার কারণে পর্বতারোহী ও প্রকৃতিবিদদের কাছে এর আলাদা কদর রয়েছে।
ঐতিহাসিক দিক থেকেও এই পর্বতটির সঙ্গে রয়শেইম অঞ্চলের গভীর যোগাযোগ রয়েছে। ঐতিহাসিক নথিপত্র অনুযায়ী, এই গালধোপিগেনে প্রথম নথিভুক্ত আরোহণ হয়েছিল ১৮৫০ সালে, যা সম্পন্ন হয়েছিল এই রয়শেইম থেকেই। ফলে পর্বতারোহণের ইতিহাসের সঙ্গে এই অঞ্চলের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
যারা এই ঐতিহাসিক স্থানে সময় কাটাতে চান, তাদের জন্য রয়শেইম হোটেলে থাকার সুব্যবস্থা রয়েছে। বর্তমানের তথ্য অনুযায়ী, এই হোটেলে সকালের নাশতাসহ দুইজনের জন্য প্রতি রাত থাকার খরচ ২৪৩ পাউন্ড থেকে শুরু হয়। ঐতিহাসিক পরিবেশ এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধার টানে পর্যটকরা এখানে ছুটে আসেন।








