বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
কেনিয়ায় ৭৩ ঘণ্টার বই পড়ার ম্যারাথন শেষ করলেন লেখক মুচুই
কেনিয়ার লেখক ইমানুয়েল মুচুই পাঠসংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে নাইরোবির নুরিয়া বুক স্টোরে টানা ৭৩ ঘণ্টা বই পড়ার একটি ম্যারাথন সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। এই চ্যালেঞ্জ চলাকালে তাকে বিরতি নেওয়ার জন্য মোট ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছিল।
কেনিয়ার লেখক ইমানুয়েল মুচুই বই পড়ার একটি অসাধারণ ম্যারাথন সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। পাঠসংস্কৃতিকে আরও বেশি জনপ্রিয় ও মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি গ্রহণ করেছিলেন। তার এই পুরো প্রচেষ্টাটি সাহিত্যপ্রেমীদের মাঝে দারুণ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির জনপ্রিয় নুরিয়া বুক স্টোরে এই বিশেষ চ্যালেঞ্জটি অনুষ্ঠিত হয়। বইপ্রেমী ও পাঠকদের একত্রিত করার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই প্রাঙ্গণেই ইমানুয়েল মুচুই তার দীর্ঘ এই পাঠ্যসূচি সম্পন্ন করেন। স্থানটি এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে থাকে।
এই ম্যারাথনে ইমানুয়েল মুচুই টানা ৭৩ ঘণ্টা ধরে অবিরাম বই পড়ে যান। দীর্ঘ সময় ধরে একটানা বই পড়ার এই চ্যালেঞ্জটি সম্পন্ন করা অত্যন্ত দুরূহ হলেও তিনি অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে তা বাস্তবায়ন করেন। তার এই অর্জিত সময়টি ৩ দিন ১ ঘণ্টার সমান।
দীর্ঘ সময় ধরে একটানা এই কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য তাকে নিয়মানুযায়ী কিছু সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এই ম্যারাথনে মুচুইকে শারীরিক ও মানসিক বিশ্রামের জন্য মোট ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছিল, যা বিরতি হিসেবে নির্ধারিত ছিল।
ম্যারাথন শেষে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ইমানুয়েল মুচুই আত্মবিশ্বাসের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, 'পরের বার নিশ্চয়ই বিশ্বরেকর্ড ভাঙব।' তার এই প্রত্যয়ী উচ্চারণ ভবিষ্যতের জন্য নতুন কোনো বড় অর্জনের ইঙ্গিত বহন করে।
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।
বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।