মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

ঐতিহাসিক জমিদারবাড়ি ও প্রাসাদের ঐতিহ্য ও ব্যবহার

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জমিদারবাড়ি ও রাজবাড়িগুলোর সংরক্ষণ এবং বাণিজ্যিক বা প্রশাসনিক ব্যবহারের নানা দিক উঠে এসেছে। টাঙ্গাইলের মহেরা রাজবাড়ি থেকে শুরু করে সুচিত্রা সেন ও হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতির বিজড়িত স্থানগুলো নিয়ে পর্যটনের সম্ভাবনা রয়েছে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ঐতিহাসিক জমিদারবাড়ি ও প্রাসাদের ঐতিহ্য ও ব্যবহার

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এক বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক জমিদারবাড়ি ও রাজবাড়িগুলো। চুয়ান্ন হাজার পাঁচশ এক বর্গমাইল আয়তনের এই বদ্বীপে অতীতে বহু প্রতাপশালী জমিদার ও রাজপরিবার তাদের নান্দনিক স্থাপত্যের নিদর্শন রেখে গেছেন। সময়ের পালাবদলে এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর রূপ, সংরক্ষণ এবং ব্যবহারের ধরন পাল্টে গেছে। কোনো কোনো স্থাপনা আজ প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, আবার কোনোটি পরিণত হয়েছে দর্শনীয় স্থানে।

টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলায় অবস্থিত মহেরা রাজবাড়ি দেশের অন্যতম একটি আকর্ষণীয় ঐতিহাসিক স্থাপনা। কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই মহেরা রাজবাড়ি বর্তমানে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর ফলে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটির অবকাঠামোগত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি এর প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারও বজায় রয়েছে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাচীন বাড়িগুলো শুধু স্থাপত্যের জন্যই নয়, বরং বিভিন্ন প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব ও শিল্প সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত থাকার কারণেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বিখ্যাত অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের বাড়িটি একসময় একটি মাদ্রাসার অধীনে ছিল। পরবর্তী সময়ে এই ঐতিহাসিক বাড়িটি দখলমুক্ত করা হয় এবং বর্তমানে এটি একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।

ঐতিহাসিক প্রাসাদ ও জমিদারবাড়িগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে চলচ্চিত্র ও শিল্পসাহিত্যের নানা স্মৃতি। জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের আলোচিত 'ঘেটুপুত্র কমলা' সিনেমার শুটিং হয়েছিল তিতাস নদীর তীরবর্তী একটি প্রাচীন প্রাসাদে। এই ধরনের ঐতিহাসিক লোকেশনগুলো আমাদের চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতিচর্চায় এক বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে।

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি প্রাচীন এসব স্থান সংরক্ষণে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কাজ করে থাকে। বিশেষ করে ১৪৯ বৎসর পুরনো বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনার ঐতিহ্য রক্ষা এবং সেগুলোর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বেহুলা ও লখিন্দর কিংবা মহামান্য চোগিয়ালের মতো ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক প্রসঙ্গগুলোও আমাদের লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

ঐতিহাসিক পর্যটন বা হেরিটেজ ট্যুরিজমের বিকাশে এই প্রাচীন জমিদারবাড়ি ও রাজবাড়িগুলোর ভূমিকা অপরিসীম। সঠিক সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই স্থাপনাগুলো দেশের পর্যটন শিল্পকে যেমন সমৃদ্ধ করতে পারে, তেমনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে পারে আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে এসব ঐতিহাসিক নিদর্শনের যথাযথ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে তা দেশের অর্থনীতি ও সংস্কৃতির জন্য বড় অর্জন বয়ে আনবে।

তথ্যসূত্র: সমকাল

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

মডারেশনের পর প্রকাশিত হবে।

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
শেষ হচ্ছে সিরামিকশিল্পী আনিসুল হকের একক প্রদর্শনী
জীবনযাপন

শেষ হচ্ছে সিরামিকশিল্পী আনিসুল হকের একক প্রদর্শনী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারিতে চলছে সিরামিকশিল্পী মো. আনিসুল হকের তৃতীয় একক প্রদর্শনী। আজ ২২ সেপ্টেম্বর এই প্রদর্শনীর শেষ দিন।

১ মিনিট পড়া
যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হলো বিশ্বের দীর্ঘতম মাংসের স্ন্যাকস
জীবনযাপন

যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হলো বিশ্বের দীর্ঘতম মাংসের স্ন্যাকস

যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।

১ মিনিট পড়া
লন্ডনে এইচঅ্যান্ডএমের শোতে পেটার পশমবিরোধী বিক্ষোভ
জীবনযাপন

লন্ডনে এইচঅ্যান্ডএমের শোতে পেটার পশমবিরোধী বিক্ষোভ

১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।

১ মিনিট পড়া
বান্দরবানে শুরু হয়েছে তিন দিনের পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী
জীবনযাপন

বান্দরবানে শুরু হয়েছে তিন দিনের পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী

বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER