এয়ারকন্ডিশনার ব্যবহারে ঠাণ্ডা-কাশি এড়াতে স্বাস্থ্য পরামর্শ
এয়ারকন্ডিশনার সরাসরি ভাইরাস তৈরি না করলেও এর সঠিক ব্যবহার ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঠাণ্ডা-কাশিসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে। এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

গ্রীষ্মের গরমে আরাম পেতে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত এয়ারকন্ডিশনার বা এসি ব্যবহার করা হয়। তবে এসি ব্যবহারের সময় কিছু বিষয়ে সতর্ক না থাকলে ঠাণ্ডা ও কাশির মতো স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ বিষয়ে সম্প্রতি প্রথম আলোয় একটি স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে এসি ব্যবহারের সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা তুলে ধরেছেন সুমন ইউসুফ।
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, এয়ারকন্ডিশনার বা এসি সরাসরি ঠাণ্ডা বা সর্দি-কাশির ভাইরাস তৈরি করে না। তবে এসির অনুপযুক্ত ব্যবহার এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এসি সঠিকভাবে পরিষ্কার ও পরিচালনা না করলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে।
এসির ভেতরের ফিল্টারে নিয়মিত ধুলাবালি, ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস এবং মাইট জমে যায়। এসি চালু করলে এই ক্ষতিকর উপাদানগুলো ঘরের বাতাসে ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা পরবর্তীতে মানুষের শ্বাসকষ্ট বা বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জিজনিত সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
এছাড়াও, এসি ঘরের বাতাস থেকে অতিরিক্ত আর্দ্রতা টেনে নেয়, যার ফলে ঘরের বাতাস শুষ্ক হয়ে যায়। এই শুষ্ক বাতাস নাক ও গলার ভেতরের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি শুকিয়ে ফেলতে পারে, যা সাময়িকভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
এই ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এসি ব্যবহারের কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো এসির ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার করা, যা অন্তত প্রতি দুই মাসে একবার করা উচিত।
পাশাপাশি, এসি ব্যবহারের সময় ঘরের তাপমাত্রা সবসময় ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখা উচিত। এই নিয়মগুলো মেনে চললে এসি ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসি ব্যবহারের সময় সামান্য সতর্কতা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ঘরোয়া পরিবেশকে স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে। তাই এসির ফিল্টার পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি সঠিক তাপমাত্রায় এসি চালানো জরুরি।








