একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি আবেদন শুরু, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীরা ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে এবং আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হবে।
প্রকাশ: · আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ১১:৪৬· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। গত বুধবার থেকে এই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং তা আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত চলবে। বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সমন্বয়ে এই ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রথম আলো সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ভর্তি কার্যক্রমের অন্যান্য ধাপ শেষ করে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে। এই কার্যক্রমে অংশ নিতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা।
অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের জন্য পছন্দক্রমের নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দমতো এই সংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেছে নিতে পারবেন।
শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ভর্তি প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। সম্পূর্ণ ভর্তি প্রক্রিয়াটি কেবল এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ওপর ভিত্তি করে সম্পন্ন করা হবে। ফলে পরীক্ষার ফলাফলের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা তাদের কাঙ্ক্ষিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবে।
এদিকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আসন বিন্যাসেও বিশেষ কোটার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মোট আসনের ৭ শতাংশ কোটায় সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ আসন মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র–কন্যাকার্ডের জন্য এবং বাকি ২ শতাংশ আসন শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর–সংস্থার কর্মকর্তা–কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে।
সংরক্ষিত কোটার এই ৭ শতাংশ আসন বাদ দিয়ে একাদশ শ্রেণির বাকি ৯৩ শতাংশ আসন সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত রাখা হবে। মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকা এই আসনগুলোতে শিক্ষার্থীরা তাদের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবেন।








