একাদশ শ্রেণির ভর্তি ও ক্লাস শুরুর প্রস্তাব
আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

চলতি বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম ও ক্লাস শুরুর নতুন প্রস্তাব করা হয়েছে। এই প্রস্তাব অনুযায়ী আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু করার কথা রয়েছে। যা চলবে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত। শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে।
অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শেষে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু করার প্রস্তাব করা হয়েছে। মূলত অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে ডিসিপ্লিন ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই ভর্তি কার্যক্রম ও ক্লাস এগিয়ে আনার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ জানিয়েছে যে এসব বিষয় মাথায় রেখেই নীতিমালা প্রস্তুত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা নিয়ে কাজ চলছে। আমরা প্রস্তাব পাঠিয়েছি। আশা করছি, শিগগির এটি চূড়ান্ত হবে। এ নীতিমালাটি জারি করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এছাড়া তিনি আরও বলেন, অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে ডিসিপ্লিন ফিরিয়ে আনা খুবই জরুরি। এজন্য ভর্তি কার্যক্রম ও ক্লাস এগিয়ে আনার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। সেগুলো মাথায় রেখে আমরা নীতিমালা করেছি। এসব ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়।
উল্লেখ্য, গত ১০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮,২৯,৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে সফলভাবে পাস করেছে ১১,৩৮,৮৭৭ জন শিক্ষার্থী। পাসের পর এখন তাদের কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে।
শিক্ষা বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশের কলেজ ও মাদরাসাগুলোতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য পর্যাপ্ত আসন রয়েছে। পাস করা ১১,৩৮,৮৭৭ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে সারা দেশে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৫,০০,০০০টি যোগ্য আসন খালি রয়েছে। ফলে আসনসংকট নিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে পুরো বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি কাজ করছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে পাঠানো প্রস্তাবগুলো নিয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত নীতিমালা জারি করার পরই ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা ও সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।








