ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার ডাক বৃটিশ ও ফরাসি কূটনীতিকদের
যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের শতাধিক সাবেক কূটনীতিক ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বাণিজ্য ও অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা জারির দাবি জানিয়েছেন। শনিবার (২২ আগস্ট) ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক যৌথ চিঠিতে তারা এই কড়া বার্তা দেন। গাজায় চলমান সংকটের প্রেক্ষাপটে এই কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের শতাধিক সাবেক কূটনীতিক ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য ও অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা। মূলত অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। গত ২৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এই তথ্য সামনে আসে, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
জানা গেছে, এই যৌথ চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাজ্যের ৫০ জন সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং ফ্রান্সের ৫২ জন সাবেক কূটনীতিক। তারা সবাই মিলে মোট একশ জনেরও বেশি সাবেক কূটনীতিক একটি যৌথ চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। গত শনিবার, অর্থাৎ ২২ আগস্ট এই চিঠি প্রস্তুত ও পাঠানো হয়।
এই চিঠির মূল লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়নের দুই প্রভাবশালী দেশ যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের শীর্ষ নেতৃত্বকে প্রভাবিত করা। কূটনৈতিক সূত্রে জানা যায়, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই চিঠিটি পাঠানো হয়েছে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের কাছে।
চিঠিতে কূটনীতিকরা সুনির্দিষ্ট কিছু কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ব্রিটিশ ও ফরাসি নাগরিকদের দ্বারা ইসরায়েলি বসতিগুলোতে সম্পত্তি কেনাকাটার ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা। এছাড়া তেল আবিবের বিরুদ্ধে অস্ত্র হস্তান্তরের প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবিও জানানো হয়েছে।
পাশাপাশি, ইসরায়েলের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য এবং অংশীদারিত্ব চুক্তিগুলোও অবিলম্বে স্থগিত করার আহ্বান জানানো হয় ওই চিঠিতে। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বর্তমান করুণ দশার কথা উল্লেখ করে কূটনীতিকরা এই জোরালো দাবি উত্থাপন করেন।
উল্লেখ্য, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ওই ভূখণ্ডের মাত্র ৩০ শতাংশ এলাকায় আটকে আছেন। চরম মানবিক সংকটের এই সময়ে সাবেক কূটনীতিকদের এই চিঠি আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক তাৎপর্য বহন করছে।








