ইন্দোনেশিয়া ও ঢাকার আকাশে বিরল রঙধনু মেঘের দেখা
সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার জাঙ্গল এবং বাংলাদেশের ঢাকার আকাশে দেখা মিলেছে এক বিরল 'রঙধনু মেঘ' বা ইরিডিসেন্ট ক্লাউডের। মূলত সূর্যালোকের সাথে মেঘের ক্ষুদ্র পানির কণা বা বরফ স্ফটিকের প্রতিক্রিয়ায় এই প্রাকৃতিক ঘটনা ঘটে থাকে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মতো ইন্দোনেশিয়া এবং বাংলাদেশের আকাশে এক অপরূপ ও বিরল প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখা গেছে। গত পহেলা মে ইন্দোনেশিয়ার জাঙ্গল এলাকার আকাশে একটি অসাধারণ রঙধনু মেঘ বা ইরিডিসেন্ট ক্লাউড দেখতে পাওয়া যায়। এই মেঘের রঙে ফুটে উঠেছিল গোলাপি, নীল, হলুদ, কমলা এবং সবুজের মতো নান্দনিক ও আকর্ষণীয় সব আভা।
ইন্দোনেশিয়ার এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই অনুরূপ এক মেঘের ঘটনা দেখা গেছে আমাদের দেশের রাজধানী ঢাকার আকাশেও। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকার আকাশে এমন রঙিন ও ব্যতিক্রমী মেঘের উপস্থিতি সাধারণ মানুষের নজর কেড়েছে। এই ধরনের মেঘের নৈসর্গিক রূপ দেখতে অনেকেই আকর্ষিত হন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর ছবি ও আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে।
বিজ্ঞানের ভাষায় এই বিশেষ মেঘগুলোকে ইরিডিসেন্ট ক্লাউড বা রঙধনু মেঘ বলা হয়ে থাকে। এটি সম্পূর্ণ একটি প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে পরিচিত। আবহাওয়া ও বিজ্ঞান বিষয়ক বিশ্লেষণে জানা যায়, মেঘের ভেতর থাকা ক্ষুদ্র পানির কণা কিংবা বরফ স্ফটিকের সাথে সূর্যালোকের পারস্পরিক প্রতিক্রিয়ার ফলেই এমন রঙিন দৃশ্যের সৃষ্টি হয়।
সূর্যের আলোর প্রতিসরণ এবং বিচ্ছুরণের কারণে মেঘের গায়ে এই নান্দনিক রঙের খেলা দেখা যায়। যখন মেঘগুলো যথেষ্ট পাতলা হয় এবং তাতে সমান আকৃতির পানির কণা বা বরফ কণা থাকে, তখন এই আলোকীয় প্রভাব স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়। জাঙ্গল ও ঢাকার আকাশে দেখা যাওয়া এই ঘটনায় ঠিক এই প্রক্রিয়াটিই কাজ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রকৃতির এমন অদ্ভুত ও সুন্দর রূপ সচরাচর খুব একটা দেখতে পাওয়া যায় না। ইন্দোনেশিয়ার জাঙ্গলের আকাশে গত পহেলা মে এবং পরবর্তীতে ঢাকার আকাশে এই বিরল মেঘের উপস্থিতি আকাশপ্রেমী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা জানা থাকলেও এই ধরনের দৃশ্য মানুষের মনে প্রকৃতির সৌন্দর্য সম্পর্কে নতুন বিস্ময় জাগায়।








