অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ায় দেখা মিলল রঙিন রামধনু মেঘের
অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ায় সপ্তাহান্তে দেখা মিলেছে বিরল রঙিন বা রামধনু মেঘের। মাউন্ট ওয়েভারলি ও ক্যারোলিন স্প্রিংস থেকে এই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে। বরফ স্ফটিকের ওপর আলো বিচ্ছুরিত হয়ে এই চমৎকার দৃশ্য তৈরি হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৬:১৭· ১ মিনিট পড়া

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যের বিভিন্ন অংশে গত সপ্তাহান্তে আকাশে এক অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্যের দেখা মিলেছে। স্থানীয় আকাশজুড়ে প্রদর্শিত হয়েছে চমৎকার রঙিন মেঘ বা যাকে রামধনু মেঘ বলা চলে। এই মনমুগ্ধকর দৃশ্যটি সাধারণ মানুষের নজর কেড়েছে এবং এর ছবিও তোলা হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভিক্টোরিয়ার বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি মেলবোর্নের মাউন্ট ওয়েভারলি এবং ক্যারোলিন স্প্রিংস এলাকা থেকেও এই আলোকীয় ঘটনার ছবি ধারণ করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও সৌখিন ফটোগ্রাফাররা এই বিরল মুহূর্তটি ক্যামেরা বন্দি করতে পিছপা হননি।
বিজ্ঞানসম্মতভাবে এই মেঘগুলোর পেছনের কারণও ব্যাখ্যা করা হয়েছে। মূলত যখন আলো বরফ স্ফটিকের চারপাশের মধ্য দিয়ে বিচ্ছুরিত হয়, তখনই এই মেঘগুলো তাদের আকর্ষণীয় রামধনু রূপ বা উপস্থিতি লাভ করে।
এই ধরনের আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক ঘটনাগুলোর সুনির্দিষ্ট কিছু শর্ত থাকে। বিশেষ করে, এই ঘটনাটি প্রায়শই নবগঠিত মেঘের মধ্যে ঘটে থাকে, যে মেঘগুলোর ভেতরে থাকা বরফ স্ফটিকগুলোর আকার একই ধরনের হয়ে থাকে।
আবহাওয়া সংক্রান্ত বিষয়ে বুরো অব মেটিওরোলজি বা বোএম (BoM) এবং দ্য গার্ডিয়ান এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নানা তথ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছে। এর সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে অমৃতা ওয়াজালওয়ার এবং সারাহ স্কালির নামও উঠে এসেছে।
এই ধরনের অপটিক্যাল ফেনোমেনন বা আলোকীয় ঘটনা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সারাহ স্কালি জানিয়েছেন, মানুষ প্রায়শই এগুলোর দিকে লক্ষ্য করে না, কারণ এগুলো অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী হয়ে থাকে।
আলোচ্য এই মেঘের পাশাপাশি অন্যান্য আলোকীয় ঘটনা নিয়েও কথা বলেছেন সারাহ স্কালি। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সান ডগ বা সূর্য সুন্দর হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের একটি অপটিক্যাল ফেনোমেনন বা আলোকীয় ঘটনা।
সান ডগ সম্পর্কে সারাহ স্কালি আরও বিস্তারিত জানিয়ে বলেছেন যে, এগুলো ঠিক এমনভাবে ঘটে যা প্রায় আলোর একটি স্তম্ভের মতো; যা হয় সূর্যের উভয় পাশে অথবা কেবল সূর্যের একপাশে অবস্থান করে।
এছাড়া আবহাওয়ামণ্ডলে জলীয় স্ফটিকের উপস্থিতি এবং দিগন্তের নিচু স্তরে এর অবস্থানের বিষয়টিও ব্যাখ্যা করেছেন সারাহ স্কালি। তিনি জানান যে, এটি বায়ুমণ্ডলে জলের স্ফটিক থাকার কারণে ঘটে এবং এটি দিগন্তের নিচু স্তরে অবস্থান করে। এমনকি একটি সাধারণ রঙিন মেঘের চেয়েও এটিকে আরও নিচে অবস্থান করতে হয়।








