বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
অদম্য ইউনুস আলী: দৃষ্টিহীন থেকেও চালাচ্ছেন সংসার
৮ বছর বয়সে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দুই পা ও দুই চোখের দৃষ্টি হারান ইউনুস আলী। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে নিজের আয় দিয়েই এখন তিনি পরিবার চালাচ্ছেন।
অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করে চলেছেন এক ব্যক্তি। তাঁর নাম ইউনুস আলী। জীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে বড় ধরনের এক শারীরিক বিপদের মুখোমুখি হলেও তিনি হার মানেননি, বরং জীবনের চাকা সচল রেখেছেন নিজস্ব উপার্জনের মাধ্যমে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ইউনুস আলী যখন কেবল ৮ বছর বয়সের শিশু, ঠিক সেই সময়ে তিনি মারাত্মক এক জ্বরে আক্রান্ত হন। সেই জ্বরের বিরূপ প্রভাবেই তাঁর জীবনের গতিপথ চিরতরে বদলে যায়।
ওই মারাত্মক জ্বরের আঘাতের কারণে ইউনুস আলী তাঁর শরীরের দুটি পা এবং দুই চোখের দৃষ্টিশক্তি পুরোপুরি হারিয়ে ফেলেন। এত বড় একটি ট্র্যাজেডি একজন মানুষের জীবনকে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হলেও তিনি দমে যাননি।
শৈশবেই এমন শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার হওয়ার পরও ইউনুস আলী পরবর্তীতে জীবনের সঙ্গে সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। তিনি বসে থাকেননি বা অন্যের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভর হয়ে জীবন কাটাননি।
বর্তমানে শারীরিক এই গুরুতর প্রতিবন্ধকতাকে পেছনে ফেলে ইউনুস আলী নিজের উপার্জনের মাধ্যমেই সংসার চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর এই নিজস্ব আয়ই এখন তাঁর পুরো পরিবারের একমাত্র অবলম্বন।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইউনুস আলীর এই জীবনসংগ্রাম এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। প্রথম আলো সূত্রে জানা গেছে, তাঁর এই সংগ্রামী জীবনের গল্প ও আত্মনির্ভরশীলতার কথা এখন অনেকেরই অনুপ্রেরণার উৎস।
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।
বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।