অতিরিক্ত স্বাস্থ্যকর খাবারও ওজন বাড়াতে পারে: পরামর্শ
দিনাজপুরের রাইয়ান হেলথ কেয়ার হসপিটাল এন্ড রিসার্চ সেন্টারে পুষ্টিবিষয়ক সচেতনতা ও পরিমিত খাবার গ্রহণের উপায় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াও পুষ্টির লক্ষ্যকে ব্যাহত করতে পারে বলে জানানো হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

দিনাজপুরের রাইয়ান হেলথ কেয়ার হসপিটাল এন্ড রিসার্চ সেন্টারে পুষ্টিবিষয়ক সচেতনতা ও পরিমিত খাবার গ্রহণের উপায় সম্পর্কিত নানা পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। মানুষের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টির সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয় এসব পরামর্শে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি হলেও কেবল স্বাস্থ্যকর খাবার হলেই যে তা অনিয়ন্ত্রিত পরিমাণে খাওয়া যাবে, বিষয়টি এমন নয়। অতিরিক্ত পরিমাণে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াও পুষ্টির লক্ষ্যকে ব্যাহত করতে পারে এবং এর ফলে শরীরের ওজন বা চর্বি বৃদ্ধি পেতে পারে।
খাবারের পরিমাপ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়। পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রোটিনের এক পরিবেশন ঠিক কেমন হওয়া উচিত, সে বিষয়ে বলা হয় যে প্রোটিনের একটি পরিবেশন হাতের তালুর আকারের মতো, অর্থাৎ প্রায় ৩ থেকে ৪ আউন্স হওয়া উচিত।
এছাড়া প্রতিদিনের খাবার খাওয়ার সময় প্লেট সাজানোর বিষয়েও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শাকসবজিতে ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকে, তাই শাকসবজি দিয়ে প্লেটের অর্ধেকটা পূর্ণ করা উচিত বলে জানানো হয়, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
খাবারের গতি এবং খাওয়ার সময় পেট ভরার অনুভূতির বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। মানুষের মস্তিষ্কের পেট ভরা বুঝতে প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগে, তাই তাড়াহুড়ো না করে পরিমিত ও ধীরেসুস্থে খাবার গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।








