২০৩৬ সালের মধ্যে কাগজের মুদ্রা অপ্রাসঙ্গিক হবে: ইলন মাস্ক
বিশ্ব অর্থনীতিতে কাগজের মুদ্রা তার কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। আগামী ১০ বছর অর্থাৎ ২০৩৬ সালের মধ্যেই এমনটি ঘটবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের কথাও বলেছেন তিনি।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

প্রযুক্তি দুনিয়ায় ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রায়ই নতুন নতুন পূর্বাভাস দিয়ে থাকেন শীর্ষস্থানীয় উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। এবার তিনি বিশ্ব অর্থনীতি এবং মুদ্রাব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি চাঞ্চল্যকর ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। ইলন মাস্কের ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, আগামী ১০ বছর অর্থাৎ ২০৩৬ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতিতে কাগজের মুদ্রা পুরোপুরি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে এবং এর কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলবে।
বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনীতি ও লেনদেনের প্রধান মাধ্যম হলো কাগজের মুদ্রা। কিন্তু ইলন মাস্কের মতে, সময়ের বিবর্তনে এই প্রচলিত ব্যবস্থার দিন ফুরিয়ে আসছে। আগামী এক দশকের মধ্যেই মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও লেনদেন থেকে কাগজের মুদ্রার ধারণাটি সম্পূর্ণ মুছে যেতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।
কাগজের মুদ্রার এই বিলুপ্তির পেছনে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির বড় ভূমিকা থাকবে বলে জানিয়েছেন ইলন মাস্ক। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মানব সভ্যতার ভবিষ্যৎ রূপ পাল্টে দেবে। ইলন মাস্কের মতে, আগামী ২০৩১ সালের মধ্যেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের সম্মিলিত বুদ্ধিমত্তাকে ছাড়িয়ে যাবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির এই অভূতপূর্ব উন্নতির কারণ ব্যাখ্যা করে ইলন মাস্ক সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের ওপর জোর দিয়েছেন। মানুষ মূলত খাদ্য, বাসস্থান, পরিবহন ও বিনোদনের মতো মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণের জন্য টাকা ব্যবহার করে থাকে। অর্থ বা মুদ্রার মাধ্যমেই এত দিন এই চাহিদাগুলোর লেনদেন ও নিয়ন্ত্রণ হয়ে আসছে।
তবে এই পরিস্থিতির নাটকীয় পরিবর্তন আসছে বলে মনে করেন ইলন মাস্ক। তাঁর মতে, ২০৩৬ সালের মধ্যে এআই এবং অ্যাডভান্সড রোবোটিক্স মানুষের চাহিদার চেয়েও বহুগুণ বেশি পণ্য ও সেবা উৎপাদন করতে সক্ষম হবে। প্রযুক্তির এই অভূতপূর্ব অগ্রগতির ফলে উৎপাদনব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটে যাবে।
যখন যন্ত্রের সাহায্যে প্রায় বিনামূল্যে এবং সীমাহীন পরিমাণে পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হবে, তখন অর্থনীতির চাকা সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে ঘুরবে। ইলন মাস্কের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সেই ভবিষ্যতে অর্থ দিয়ে কোনো কিছু কেনাবেচা বা নিয়ন্ত্রণ করার কোনো অর্থই থাকবে না। ফলে কাগজের মুদ্রার প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে গিয়ে তা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়বে।








