২০২৮ সাল থেকে সব নিবন্ধিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকবে নজরদারিতে
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, আগামী ২০২৮ সাল থেকে দেশের সব রেজিস্ট্রিকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সরকারি মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে। ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রংপুরের পিটিআই সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

দেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতের নজরদারি জোরদার করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন থেকে নির্দিষ্ট কিছু নিয়মের অধীনে দেশের সব নিবন্ধিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সরকারি তদারকির আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। এই ঘোষণা দিয়েছেন সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
<প>৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রংপুর পিটিআই সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা প্রদান করা হয়। প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়ন এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্যই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে দেশের শিক্ষা খাতের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে সরকারের নীত নির্ধারণী পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতেই প্রতিমন্ত্রী শিক্ষা খাতের মনিটরিং ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে ববি হাজ্জাজ একটি বিশেষ এবং অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, "২০২৮ সাল থেকে রেজিস্ট্রেশনভুক্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারের মনিটরিংয়ের বাইরে থাকতে পারবে না।" তাঁর এই বক্তব্যের মাধ্যমে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
রংপুরের পিটিআই সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত উক্ত সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন। তাঁর উপস্থিতি এই ঘোষণার গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর যৌথভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি নিবন্ধিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সরাসরি সরকারি মনিটরিং ব্যবস্থার ভেতর নিয়ে আসার এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
উল্লেখ্য, এই পুরো প্রক্রিয়াটি সফল করতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগ ও প্রতিষ্ঠান যেমন ইউপিডিসি কাজ করছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামী দিনে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে আরও বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।








