প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন নিয়মে বৃত্তি প্রদানের প্রজ্ঞাপন জারি
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন নিয়মে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে তিন বছর মেয়াদে প্রাথমিক বৃত্তি প্রদান করা হবে। ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—এই দুই শ্রেণিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট হারে মাসিক ও এককালীন আর্থিক সহায়তা পাবেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৪:০১· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে এবং শিক্ষার্থীদের মেধা মূল্যায়নে একটি নতুন নিয়ম চালু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এর অংশ হিসেবে দেশব্যাপী প্রাথমিক শিক্ষা ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। এই নতুন নিয়মের আওতায় শিক্ষার্থীরা পরবর্তী তিন বছর মেয়াদে এই বৃত্তির সুবিধা ভোগ করবেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই বৃত্তি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী। তার স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির নতুন হার ও নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
নতুন এই নিয়মের আওতায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৩০০ টাকা করে বৃত্তি পাবেন। অন্যদিকে, সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ২২৫ টাকা করে আর্থিক সহায়তা লাভ করবেন।
শুধু মাসিক টাকাই নয়, এর পাশাপাশি বৃত্তিপ্রাপ্তদের জন্য আরও একটি বিশেষ আর্থিক সুবিধার কথা বলা হয়েছে। উভয় শ্রেণির বৃত্তিধারীরা প্রতি বছর এককালীন ২২৫ টাকা করে অতিরিক্ত অর্থ পাবেন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রয়োজনে এই সহায়তা ব্যবহার করতে পারবেন।
শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে বৃত্তির অর্থ বিতরণের ক্ষেত্রে একটি আধুনিক ও স্বচ্ছ পদ্ধতি বেছে নেওয়া হয়েছে। সরকারের এই নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৃত্তির নির্ধারিত সমস্ত অর্থ সরাসরি শিক্ষার্থীদের নিজস্ব ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে।
বৃত্তি বিতরণের এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে জি-টু-পি বা গভর্নমেন্ট টু পারসন পদ্ধতিতে। এর ফলে কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট সময়ে বৃত্তির টাকা পৌঁছে যাবে, যা প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।








