১২ সেপ্টেম্বর থেকে বাড়ছে বেকারি পণ্যের দাম
কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটের কারণে উৎপাদন খরচ বহুগুণ বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বর্ধিত দামে বেকারি পণ্য সরবরাহের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট অ্যান্ড কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতি।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটের কারণে বেকারি ব্যবসায়ীদের উৎপাদন খরচ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমতাবস্থায় দেশের বাজারে আগের দামে আর বেকারি পণ্য সরবরাহ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বর্ধিত দামে বেকারি পণ্য সরবরাহের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট অ্যান্ড কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশের বাজারে বর্তমানে ভোজ্যতেল, আটা, ময়দা ও চিনির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে গত এক মাসের ব্যবধানে খোলা ও প্যাকেজে মোড়ানো চিনির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
চিনির পাশাপাশি বেকারি পণ্যের অন্যতম প্রধান কাঁচামাল আটা ও ময়দার দামেও বড় ধরনের ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আটা-ময়দার দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়াও বর্তমানে দেশজুড়ে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট রয়েছে, যা বেকারি শিল্পের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে আরও বেশি বাধাগ্রস্ত করছে।
কাঁচামালের এই লাগামহীন দাম বৃদ্ধি এবং ইউটিলিটি সংকটের কারণে বেকারি খাতের ব্যবসায়ীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। এই বিষয়ে বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট অ্যান্ড কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতির মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, 'কাঁচামালের দাম বৃদ্ধির ফলে প্রতিটি পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে।'
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান বাজারে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে আগের দামে পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন জানান, 'তাই বাধ্য হয়েই আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বর্ধিত দামে বেকারি পণ্য সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।'
ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, এই সংকট অব্যাহত থাকলে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা টিকতে পারবেন না। এ বিষয়ে মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন সতর্ক করে বলেছেন, 'সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত সহযোগিতা না পাওয়া গেলে এই খাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পথে বসে যাবেন।'








