হুুলুতে মুক্তি পেল এক্স-ফাইলস চলচ্চিত্রের আর-রেটেড সংস্করণ
প্রখ্যাত ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘দ্য এক্স-ফাইলস: আই ওয়ান্ট টু বিলিভ’ চলচ্চিত্রের নতুন একটি আর-রেটেড ডিরেক্টরস কাট সংস্করণ ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হুলুতে মুক্তি পেয়েছে। ২০০৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মূল পিজি-১৩ সিনেমাটির পরিচালক ক্রিস কার্টার এই নতুন সংস্করণের নাম দিয়েছেন ‘দ্য এক্স-ফাইলস: আই ওয়ান্ট টু বিলিভ – ভ্রাখ ফ্রাংকেশটেইন’।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

জনপ্রিয় কল্পবিজ্ঞান ফ্র্যাঞ্চাইজির অনুরাগীদের জন্য একটি বড় চমক নিয়ে এল ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হুলু। বহুল আলোচিত ‘দ্য এক্স-ফাইলস: আই ওয়ান্ট টু বিলিভ’ চলচ্চিত্রের সম্পূর্ণ নতুন একটি আর-রেটেড ডিরেক্টরস কাট সংস্করণ আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এই নতুন সংস্করণটি প্রকাশের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার অবসান হলো।
চলচ্চিত্রটির এই নতুন সংস্করণের নামকরণ করা হয়েছে ‘দ্য এক্স-فাইলস: আই ওয়ান্ট টু বিলিভ – ভ্রাখ ফ্রাংকেশটেইন’। এর আগে ২০০৮ সালে ‘দ্য এক্স-ফাইলস: আই ওয়ান্ট টু বিলিভ’ সিনেমাটি একটি পিজি-১৩ ফিচার চলচ্চিত্র হিসেবে সরাসরি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল। তখনকার সেই মূল চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে লিখেছিলেন এবং পরিচালনা করেছিলেন ক্রিস কার্টার।
মূল চলচ্চিত্র মুক্তির দীর্ঘ সময় পর এর পেছনের নানা ভাবনা ও প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলেছেন নির্মাতা ক্রিস কার্টার। তিনি জানিয়েছেন, সে সময় তারা একটি ভালো এক্স-ফাইলস গল্প বলতে পেরেছিলেন, কিন্তু যেভাবে তারা গল্পটি বলতে চেয়েছিলেন ঠিক সেভাবে তা আর ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হয়নি।
এই নতুন সংস্করণের ভাবনা ও বিষয়বস্তু নিয়ে নির্মাতা ক্রিস কার্টার বেশ কিছু রোমাঞ্চকর ও তাত্ত্বিক বিষয় সামনে এনেছেন। তিনি বর্তমান যুগের প্রযুক্তিপ্রেমী ধনকুবেরদের অমরত্ব অর্জনের ধারণার সাথে চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন দিক তুলনা করেছেন। তার মতে, মানুষ যদি সঠিক কাজ ও সঠিক খাবার গ্রহণ করে চিরকাল বেঁচে থাকতে পারে, তবে সফলভাবে কম বয়সী শরীরে মাথা প্রতিস্থাপন করার বিজ্ঞানকে কেন চিরন্তন জীবন বলা যাবে না?
চলচ্চিত্রটির বিভিন্ন দৃশ্য ও প্লটের পেছনের ভয়াবহতার বর্ণনা দিতে গিয়ে ক্রিস কার্টার উল্লেখ করেছেন এতে তুলে ধরা নারী চরিত্রগুলোর দুর্দশার কথা। তিনি জানান, এই সিনেমাটিতে এমন কিছু নারীকে দেখানো হয়েছে যাদের গাড়ি থেকে হিংসাত্মকভাবে তুলে নিয়ে বাক্সে বন্দी করা হয় এবং তারা অত্যন্ত ভয়াবহ চিকিৎসাগত প্রক্রিয়ার শিকার হন।
নতুন এই আর-রেটেড সংস্করণে দর্শকরা বরফ ও তুষারের মধ্যে একটি হাত খুঁজে পাওয়ার মতো বিষয়গুলো সম্পূর্ণ নতুন একটি দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে পাবেন। ক্রিস কার্টারের বিশ্বাস, দর্শকরা যখন এখন মাথা প্রতিস্থাপনের ধারণার কথা মাথায় রেখে সিনেমাটি দেখতে আসবেন, তখন এর প্লটের খুঁটিনাটি তাদের অন্য এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করবে।
উল্লেখ্য, মূল সিনেমা এবং নতুন এই ডিরেক্টরস কাট সংস্করণের বাইরেও ফক্স নেটওয়ার্কে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির দুটি রিভাইভাল মৌসুম প্রচারিত হয়েছিল। ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সম্প্রচারিত এই মৌসুমগুলো বিশ্বজুড়ে ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছিল এবং আজ পর্যন্ত এই ফ্র্যাঞ্চাইজির সাথে বহু কলাকুশলী, অভিনেতা ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে।








