হুুলুতে মুক্তি পেল দ্য এক্স-ফাইলসের নতুন ডিরেক্টরস কাট
২০৩৮ সালের বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র দ্য এক্স-ফাইলস: আই ওয়ান্ট টু বিলিভ-এর নতুন আর-রেটেড ডিরেক্টরস কাট হুলুতে মুক্তি পেয়েছে। ক্রিস কার্টার পরিচালিত এই সংস্করণের নামকরণ করা হয়েছে ভিরাশ ফ্রাঙ্কেনশটেইন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি দ্য এক্স-ফাইলসের ভক্তদের জন্য এলো বড় এক চমক। বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র দ্য এক্স-ফাইলস: আই ওয়ান্ট টু বিলিভ-এর একটি নতুন আর-রেটেড ডিরেক্টরস কাট হুুলু স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের ১৪ আগস্ট এই নতুন সংস্করণটি মুক্তি পায়। মূলত ২০০৮ সালে ছবিটির মূল সংস্করণটি পিজি-১৩ ফিচার হিসেবে মুক্তি পেয়েছিল, যা এবার নতুন একটি রূপ নিয়ে হাজির হলো দর্শকদের সামনে।
নতুন এই ডিরেক্টরস কাট সংস্করণের নামকরণ করা হয়েছে দ্য এক্স-ফাইলস: আই ওয়ান্ট টু বিলিভ – ভিরাশ ফ্রাঙ্কেনশটেইন। ছবিটির আসল সংস্করণটি যৌথভাবে লিখেছেন এবং পরিচালনা করেছেন ক্রিস কার্টার। মুক্তির পর থেকেই চলচ্চিত্রটি এবং এর নতুন সংস্করণটি বিনোদন বিশ্বে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, বিশেষ করে দ্য ভার্জের চার্লস পুলিয়াম-মুরের মতো সাংবাদিকদের সূত্রে নানা তথ্য সামনে আসছে।
চলচ্চিত্রটির পেছনের গল্প নিয়ে বলতে গিয়ে নির্মাতা ক্রিস কার্টার জানান, তারা সবসময়ই একটি ভালো এক্স-ফাইলস গল্প বলতে চেয়েছিলেন। তবে তিনি মন্তব্য করেন যে, তারা যেভাবে গল্পটি বলতে চেয়েছিলেন, সেভাবে তা বলার সুযোগ পাননি। কার্টারের মতে, বর্তমান প্রযুক্তির যুগে মানুষের মধ্যে তরুণ বা কমবয়সী দেহে মাথা প্রতিস্থাপন করে চিরকাল বেঁচে থাকার এক ধরনের ভাবনা কাজ করে, যা প্রকারান্তরে অমরত্বের ধারণারই বহিঃপ্রকাশ।
ছবিটির বিভিন্ন রোমাঞ্চকর ও ভয়ের উপাদান সম্পর্কে ক্রিস কার্টার আরও আলোকপাত করেন। তিনি এমন কিছু নারীর কথা উল্লেখ করেন যাদের গাড়ি থেকে হিংসাত্মকভাবে তুলে নিয়ে বাক্সে বন্দी করে রাখা হয় এবং তারা সেখানে বিভিন্ন ভীতিপ্রদ চিকিৎসা প্রক্রিয়ার শিকার হন। কার্টারের বিশ্বাস, দর্শকরা এখন যখন মাথা প্রতিস্থাপনের মতো বিষয় মাথায় রেখে ছবিটি দেখতে আসবেন, তখন বরফ ও তুষারের মধ্যে হাত খুঁজে পাওয়ার মতো প্লটের খুঁটিনাটি বিষয়গুলো তাদের কাছে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক তাৎপর্য নিয়ে ধরা দেবে।
দীর্ঘ এই ফ্র্যাঞ্চাইজির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এই চলচ্চিত্রের বাইরেও ফক্স চ্যানেলে ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দ্য এক্স-ফাইলস-এর দুটি পুনরুজ্জীবন মৌসুম বা রিভাইভাল সিজন প্রচারিত হয়েছিল। এই দীর্ঘ যাত্রায় ডেভিড ডুকোভনি, গিলিয়ান অ্যান্ডারসন, স্যার উইলিয়াম কনোলি, রবার্ট জে. হোয়াইট, ডোরি এবং রায়ান কুগলারের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিংশ শতাব্দী স্টুডিও, টুয়েন্টিথ সেঞ্চুরি ফক্স, ফক্স ও এফবিআই-এর মতো নামজাদা প্রতিষ্ঠানের নাম নানাভাবে জড়িত রয়েছে।
এদিকে নতুন প্রজন্মের নির্মাতা এবং আসন্ন বিভিন্ন প্রজেক্ট প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন ক্রিস কার্টার। রায়ান কুগলারকে একজন সম্পূর্ণ শ্রদ্ধেয় চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান যে, কুগলারের কাজ দেখার জন্য তিনি অন্যদের মতো অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। তিনি নিজের মতো করে রায়ানের চিত্রনাট্য না পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যাতে সাধারণ দর্শকদের মতো তিনিও উপভোগ করতে পারেন। কুগলারের দৃষ্টিভঙ্গি এবং বৈচিত্র্যময় কাস্টিং নিয়ে তার মনে যে ধারণা তৈরি হয়েছে, তা তাকে বেশ রোমাঞ্চিত করছে বলে তিনি জানান।








