হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩১টি শিশু আক্রান্ত হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১৫ জনে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১টি শিশু। স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে জানানো হয় যে, এই ২৪ ঘণ্টায় শুধু হামে আক্রান্ত হয়েছে ৫০টি শিশু এবং হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ছিল ৯৮১।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯২৯টি শিশু। একই সময়ে বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ৯৭৪টি শিশু। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসা ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনা অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
চলতি বছর ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব লক্ষ্য করা গেছে। এই সময়ের মধ্যে কেবল হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর শিকার হয়েছে ৮১৬টি শিশু। পাশাপাশি, সরাসরি হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। ফলে হাম এবং এর উপসর্গজনিত কারণে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯১৫টিতে।
গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশজুড়ে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৮ জনে। এর মধ্যে পরীক্ষাগار ও অন্যান্য প্রক্রিয়ায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৯৩০ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত নজরদারির মাধ্যমে এসব তথ্য সংকলন করা হয়েছে।
সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে দেশের হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ লক্ষ্য করা গেছে। ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৮৬ জনে পৌঁছেছে। এর বিপরীতে চিকিৎসাসেবা নিয়ে সফলভাবে বাড়ি ফিরে যাওয়া রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৯১৩ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। হামের বিস্তার রোধে এবং আক্রান্ত শিশুদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। সাধারণ মানুষকেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার এবং কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।








