হবিগঞ্জে লোডশেডিংয়ে ব্যাহত চা প্রক্রিয়াজাতকরণ
হবিগঞ্জের মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার ২৩টি চা বাগানে তীব্র বিদ্যুৎ সংকটের কারণে চা প্রক্রিয়াজাত ও শুকানোর কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ছয় থেকে আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার ২৩টি চা বাগানে তীব্র বিদ্যুৎ সংকটের কারণে চা প্রক্রিয়াজাত ও শুকানোর কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শুক্রবার প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এই বিদ্যুৎ সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মাধবপুর উপজেলার পাঁচটি এবং চুনারুঘাট উপজেলার ১৮টি চা বাগানে। এর মধ্যে রয়েছে জগদীশপুর চা বাগান ও সুরমা চা বাগান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই দুই উপজেলার চা বাগানগুলোতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ছয় থেকে আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করে। ঘন ঘন এই লোডশেডিংয়ের ফলে চা উৎপাদন কার্যক্রম বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে।
চা উৎপাদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বাগান থেকে কচি পাতা সংগ্রহের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কারখানায় এনে প্রক্রিয়াজাত করে উন্নতমানের চা তৈরি করতে হয়। এই কাজের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রয়োজন। কিন্তু দিনরাত লোডশেডিং লেগে থাকে। ফলে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে চা তৈরির কাজ চালাতে হচ্ছে।
এই বিষয়ে জগদীশপুর চা বাগানের সুজিত সাহা বলেন, বাগান থেকে কচি পাতা সংগ্রহের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কারখানায় এনে প্রক্রিয়াজাত করে উন্নতমানের চা তৈরি করতে হয়। এই কাজের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রয়োজন। কিন্তু দিনরাত লোডশেডিং লেগে থাকে। ফলে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে চা তৈরির কাজ চালাতে হচ্ছে।
বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় কিছু বাগানে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে বাড়তি জ্বালানি খরচের কারণে দীর্ঘ সময় সেই জেনারেটর সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় উৎপাদন বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সুরমা চা বাগানের মনি হোসেন বলেন, চা কারখানাকে শিল্পপ্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলে আরও বেশি চা উৎপাদন করা সম্ভব হতো।
এদিকে এই পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে সমকাল। সার্বিক এই বিদ্যুৎ সংকটের দ্রুত অবসান না হলে হবিগঞ্জের চা শিল্পে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট বাগান মালিক ও শ্রমিকরা।








