স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিবালয়ে চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ড. আব্দুল মঈন খান ও মীর শাহে আলমের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সৌরশক্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। গত ২৭ আগস্ট ঢাকার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে বর্তমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে আলোকপাত করে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে বর্তমানে একটি ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের পর দুই দেশের সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত আরও জানান, দুই দেশ যৌথ ইশতেহারের মাধ্যমে নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যৎ নিয়ে চীন-বাংলাদেশ কমিউনিটি গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই অভিন্ন সিদ্ধান্তের আওতায় অর্থনৈতিক খাতসহ অন্যান্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বৈঠকের একটি অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল বাংলাদেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতি। এই প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ব্যাপক জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি। এমন একটি পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও সৌরশক্তি নিয়ে চীন অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বলে তিনি জানান।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে চীনা রাষ্ট্রদূত মন্তব্য করেন, আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের জন্য এখনই নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা সৌরশক্তি উন্নয়নের উপযুক্ত সময়। এর মাধ্যমে দেশের ঐতিহ্যবাহী জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
তিনি আরও যোগ করেন যে, জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতি কাটিয়ে ওঠার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতার প্রচুর সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চীনের যে উন্নত সক্ষমতা রয়েছে, তা বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজে লাগানো যেতে পারে।
এছাড়াও বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।








