সৌদি আরবের জিজান শহরে ট্যাংকারের চাপায় বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু
সৌদি আরবের জিজান শহরে ডিউটিরত অবস্থায় ট্যাংকারের চাপায় রুবেল মিয়া নামের এক বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। তার মৃত্যুর খবরে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

সৌদি আরবের জিজান শহরে ডিউটিরত অবস্থায় ট্যাংকারের চাপায় রুবেল মিয়া নামের এক বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। মর্মান্তিক এই সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) সন্ধ্যায়। প্রবাসে কর্মরত অবস্থায় আকস্মিক এই মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবার ও এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত রুবেল মিয়ার বয়স হয়েছিল ৩০ বছর। তিনি বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবার নাম মো. কাজল বেপারী। জীবিকার তাগিদে দেশ ছেড়ে সৌদি আরবে পাড়ি জমানোর পর জিজান শহরে কাজ করছিলেন তিনি।
ঘটনার দিন সন্ধ্যায় যথারীতি ডিউটি করার সময় একটি ট্যাংকারের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান রুবেল মিয়া। প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে চাওয়া এই যুবকের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে তার স্বজনরা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছেন।
এদিকে স্বামীর এমন মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না রুবেল মিয়ার স্ত্রী রিমা আক্তার। প্রিয়জন হারানোর এই বেদনায় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। আহাজারি করতে করতে তিনি বলেন, আমার স্বামী আর কোনোদিন ফিরে আসবেন না— এই সত্য মেনে নেওয়া আমাদের জন্য খুবই কঠিন।
স্বামীর মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার আকুল আবেদন জানিয়েছেন রিমা আক্তার। এই বিষয়ে তিনি বলেন, এখন অন্তত তার মরদেহটি দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে শেষবারের মতো দেখতে চাই। আপনজনদের উপস্থিতিতে তাকে দাফন করতে চাই।
বর্তমানে রুবেল মিয়ার পরিবার ও স্বজনরা তার মরদেহ দেশে আসার অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন। সরকারের সংশ্লিষ্ট দته ও প্রবাসের বাংলাদেশ কমিউনিটির মাধ্যমে দ্রুত যেন নিহতের মরদেহ তার নিজ গ্রামে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়, সেই দাবিই এখন সবার মুখে মুখে।








