সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা ইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে নিহত ৯
১৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী ইউনিয়নের ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে জাহাজ কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাসে নয়জন শ্রমিক মারা গেছেন। নিরাপত্তা ঘাটতির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এর আগে মামলা হয়েছিল।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

১৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী ইউনিয়নের স্টেশন রোড এলাকার ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে পুরোনো এলএনজি পরিবহনকারী জাহাজ কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাসে নয়জন শ্রমিক মারা গেছেন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার সময় ইয়ার্ডে ৩৪ জন শ্রমিক ও কর্মচারী কাজ করছিলেন। নিহত শ্রমিকদের মধ্যে মনসুর আহমেদ ও নাসির উদ্দিন নামের দুই ভাই রয়েছেন। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ১৭ বছর বয়সী মতিউর রহমান সাজ্জাদসহ অন্যান্যরা রয়েছেন। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসকে বিষয়টি জানানো হয়।
তৌফিকুল ইসলামের মতে, এলএনজি পরিবহনকারী জাহাজের কিছু ট্যাংকে ফ্লোরিন, কার্বন মনোক্সাইড ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের মতো বিষাক্ত গ্যাস থাকতে পারে। গ্যাসমুক্ত না করে জাহাজ কাটার কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার পর জানা যায়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর নিরাপত্তা ঘাটতির অভিযোগে গত ১৫ জুলাই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম শ্রম আদালতে মামলা করেছিল। এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি নোটিশ, ৪ মে পুনঃপরিদর্শন এবং ৮ জুন চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।
এই দুর্ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস, শিল্প পুলিশ ও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন। বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লিং অ্যাসোসিয়েশন একটি পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে নিহত প্রত্যেক শ্রমিকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে ওয়াইপিএসএ, ক্যাপ্টেন আনাম চৌধুরী এবং আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিভিন্ন পর্যায়ে যুক্ত রয়েছেন। হতাহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।








