সিলেটের কানাইঘাট সীমান্তে আওয়ামী নেতা মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ আটকের খবরটি গুজব
সিলেটের কানাইঘাট সীমান্তে আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজকে আটকের একটি খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। তবে স্থানীয় থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটকের এমন কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেও এই খবরের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সিলেট জেলা ও মহানগর রাজনীতিতে আলোচিত আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সিলেট জজ কোর্টের সাবেক সরকারি কৌঁসুলি মিসবাহ উদ্দিন সিরাজকে নিয়ে একটি আটকের খবর ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৫ আগস্ট ২০২৫ তারিখে ছড়িয়ে পড়া এই গুঞ্জনে দাবি করা হয় যে, তাকে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার দনা সীমান্ত এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে।
তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এই তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই। বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে খোঁজখবর নেওয়া হয়। কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানিয়েছেন।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, মিসবাহ উদ্দিন সিরাজকে আটকের কোনো তথ্য তাদের থানায় নেই। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, এ বিষয়ে সীমান্তবর্তী এলাকার দায়িত্বে থাকা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবির সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে বিজিবির পক্ষ থেকেও আটকের এই খবরের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর থেকেই সাবেক এই কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট জজ কোর্টের সাবেক সরকারি কৌঁসুলি মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ আত্মগোপনে চলে যান। সরকার পতনের পর থেকে তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য জানা যায়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনি এসব মামলার কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে রয়েছেন এবং আত্মগোপন জীবনযাপন করছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষ ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের এ ধরনের ভিত্তিহীন ও গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী কোনো স্থানে এ ধরনের আটকের ঘটনা ঘটলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হতো, কিন্তু বর্তমানে প্রচারিত খবরটি সম্পূর্ণ গুজব ছাড়া আর কিছু নয়।








