সিডনি সুইনির জুয়ার বিজ্ঞাপন নিয়ে বিতর্ক ও নারী ক্রীড়াবিদদের ক্ষোভ
সিডনি সুইনির একটি স্পোর্টস বেটিং অ্যাপের বিজ্ঞাপন ভাইরাল হওয়ার পর নারী ক্রীড়াবিদদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার হাইন্যু এবং পাকিস্তানের কিশোরীদের নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ফ্রান্স টোয়েন্টিফোর।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

গত ১৮ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ কিছু আলোচিত ঘটনা সামনে এসেছে। এর মধ্যে হলিউড তারকা সিডনি সুইনির একটি বিজ্ঞাপন এবং দক্ষিণ কোরিয়া ও পাকিস্তানের নারীদের অর্জন নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিশেষ করে সিডনি সুইনির একটি প্রচারণাচিত্র নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ক্রীড়া বিশ্বে তুমুল সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
আলোচিত এই ঘটনাটির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সিডনি সুইনির একটি বিজ্ঞাপন। সম্প্রতি সিডনি সুইনি একটি স্পোর্টস বেটিং অ্যাপ্লিকেশন বা জুয়ার অ্যাপ প্রচারের জন্য একটি বিজ্ঞাপনে অংশ নেন। এই বিজ্ঞাপনটি ইন্টারনেটে প্রকাশিত হওয়ার পর মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। তবে এই প্রচারণার বিষয়বস্তু সবার কাছে ইতিবাচকভাবে গৃহীত হয়নি।
বিজ্ঞাপনটি প্রকাশ্যে আসার পর পরই নারী ক্রীড়াবিদদের একটি বড় অংশ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের মতে, এই ধরনের বিজ্ঞাপন নারী ক্রীড়ার দীর্ঘদিনের অগ্রগতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করে। জুয়ার অ্যাপের প্রচারণায় একজন জনপ্রিয় তারকার অংশগ্রহণ নারী অ্যাথলেটদের অর্জন ও সম্মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
অন্যদিকে, এই একই সময়ে বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের নারীদের সাহসী ও ঐতিহ্যবাহী কাজের গল্পও সামনে এসেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ঐতিহ্যবাহী 'হাইন্যু' বা সমুদ্রের নারীরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তারা অক্সিজেন ট্যাংক ছাড়াই সমুদ্রের গভীরে ডুব দিয়ে বিভিন্ন সামুদ্রিক খাবার সংগ্রহ করে থাকেন, যা আজও তাদের সাহসিকতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।
পাশাপাশি, পাকিস্তানের ক্রীড়াঙ্গনেও আসছে নতুন পরিবর্তনের হাওয়া। দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে একদল তরুণী ও কিশোরী এখন নতুন করে কিক-বক্সিং শিখতে শুরু করেছে। রক্ষণশীল সমাজব্যবষ্টাকে পেছনে ফেলে এই কিশোরীদের কিক-বক্সিংয়ে অংশ নেওয়া দেশটির নারী সমাজের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
ফ্রান্স টোয়েন্টিফোরের সংবাদভিত্তিক অনুষ্ঠানে এই বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন আনে ইয়ং (Annette Young)। এছাড়া এই আয়োজনে আরও যুক্ত ছিলেন জেনিফার বেন ব্রাহিম (Jennifer BEN BRAHIM) এবং স্তেফানি শেভাল (Stéphanie CHEVAL)।
সব মিলিয়ে ১৮ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের এই বৈশ্বিক প্রতিবেদনে একদিকে যেমন সিডনি সুইনির বিজ্ঞাপন নিয়ে বিতর্ক স্থান পেয়েছে, তেমনি অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার হাইন্যু এবং পাকিস্তানের কিক-বক্সিং করা কিশোরীদের অনুপ্রেরণাদায়ক গল্পগুলোও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।








