সাগর-রুনি হত্যা মামলায় নতুন ক্লু পাওয়ার দাবি চিফ প্রসিকিউটরের
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৯ বার পেছানো হয়েছে। এর মধ্যেই চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় একটি নতুন ক্লু পাওয়ার দাবি করেছেন চিফ প্রসিকিউটর।
প্রকাশ: · আপডেট: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১০:১৬· ১ মিনিট পড়া

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পেছানো হয়েছে। গত ২৭ আগস্ট নির্ধারিত দিনে মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। এর ফলে আদালত আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন। বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ এর মাধ্যমে মোট ১২৯ বার পেছাল।
তদন্তের ধারাবাহিকতায় জানা যায়, সাগর-রুনি হত্যা মামলাটির তদন্ত বর্তমানে পিবিআইয়ের অধীনে রয়েছে। এর আগে মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে ছিল র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র্যাব। দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত চললেও এবং বহুবার তারিখ পরিবর্তন হলেও এখন পর্যন্ত এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের কোনো চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা সম্ভব হয়নি।
এমন একটি পরিস্থিতিতে মামলার অগ্রগতি নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। চিফ প্রসিকিউটর দাবি করেছেন যে, সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিষয়ে তারা একটি নতুন ক্লু পেয়েছেন। তবে এই মুহূর্তে ওই ক্লুয়ের সঙ্গে জড়িত নাম-পরিচয় বা বিস্তারিত প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলে তিনি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, 'সাগর-রুনির মামলার তদন্ত আমাদের তদন্ত সংস্থা করছে না। এটি অন্য সংস্থা পিবিআই করছে। তবে আমরা একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে কোনো কোনো সময় ক্লু পেয়ে যাই। যেমন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে মেজর মোজাফফরের ব্যাপারে কিছুটা ক্লু পেয়েছিলাম। সাগর-রুনির বিষয়েও আমরা একটি ক্লু পেয়েছি। সেটার নাম-পরিচয় এখন প্রকাশ করতে পারছি না।'
চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এই বিষয়টি বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর তাদের নজরদারি রয়েছে।
উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি আরও বলেন, 'তবে এটুকু বলতে পারি, একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের একটি কানেকশন পাওয়া যাচ্ছে। আমরা বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখছি। তার ওপর আমাদের নজরদারি রয়েছে। আরও তদন্তের পর যদি কোনো অথেনটিক তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করব।'
তদন্ত সংস্থার বাইরে থেকে পাওয়া এই নতুন ক্লু এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের যোগসূত্র সংক্রান্ত দাবির পর সাগর-রুনি হত্যা মামলাটির তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখন আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত দিনে পিবিআই কী প্রতিবেদন দাখিল করে, সেদিকেই সবার দৃষ্টি রয়েছে।








