সংযুক্ত আরব আমিরাতের জলসীমায় ড্রোন প্রতিহত, তীব্র সংঘাত
সংযুক্ত আরব আমিরাতের জলসীমায় একটি ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিহত করা হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে হরমুজ প্রণালিতে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সোমবার প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে উঠেছে। এই সংঘাতে বিভিন্ন দেশের জল ও আকাশসীমা সরাসরি প্রভাবিত হচ্ছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথগুলোতে নিরাপত্তা ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জলসীমায় একটি ড্রোন শনাক্ত করা হয়েছে এবং সেটিকে সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই ড্রোন সংক্রান্ত ঘটনাটি নিশ্চিত করেছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে রোববার হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী ইরানের লারাক দ্বীপে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী। এই হামলার মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের চলমান উত্তেজনা নতুন করে তীব্র সামরিক সংঘাতে রূপ নিয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে এই অঞ্চলের সামগ্রিক ভূরাজনীতিতে।
এই পাল্টাপাল্টি সামরিক কার্যক্রমের সরাসরি প্রভাব পড়েছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির সামুদ্রিক বাণিজ্যের ওপর। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এই সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে বললেই চলে।
এর ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ রুট দিয়ে চলাচলকারী দৃশ্যমান পণ্যবাহী জাহাজের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমে গেছে। বর্তমানে এই প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী দৃশ্যমান পণ্যবাহী জাহাজের সংখ্যা কমে দিনে মাত্র পাঁচটিতে নেমে এসেছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য একটি বড় ধাক্কা।
শুধু জলসীমা বা সমুদ্রপথেই নয়, এই সংঘাতের আঁচ গিয়ে পড়েছে আকাশপথেও। জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে, তাদের দেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করা মোট আটটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ভূপাতিত করা হয়েছে। আঞ্চলিক এই অস্থিতিশীলতা রোধে সংশ্লিষ্ট দেশের সামরিক বাহিনীগুলো সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে।








