সংক্রমণ রোধে কার্যকর কমিটি গঠনের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সংক্রমণ প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি অ্যান্টিবায়োটিকের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণবিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৪ আগস্ট আয়োজিত এই সেমিনারে দেশের স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এই আয়োজনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং সিংহেলথ যৌথভাবে ভূমিকা পালন করে।
সেমিনারে সংক্রমণ রোধে সুনির্দিষ্ট ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে দ্রুত একটি কার্যকর কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। সেমিনারে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য শুধু অ্যান্টিবায়োটিকের ওপর নির্ভর করলে হবে না। সংক্রমণ প্রতিরোধের বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
বক্তব্যের ধারাবাহিকতায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, বড় ধরনের রোগ ও সংক্রমণ প্রতিরোধে ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে হবে। এর পাশাপাশি সংক্রমণ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। তার এই বক্তব্যে দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
সেমিনারে অংশ নেওয়া বিশেষজ্ঞরা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার সংক্রমণ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার ওপর অত্যন্ত জোরালো গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ত্রুটি ও এর সমাধানের বিষয়েও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি উল্লেখ করেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও কার্যকর ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে হবে।
উক্ত সেমিনারে অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের মধ্যে লিং ময় লিন এবং অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণে সেমিনারের আলোচনা আরও সমৃদ্ধ হয়। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারের মাধ্যমে দেশের চিকিৎসালয়গুলোতে সংক্রমণ রোধ এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের ওপর নতুন করে আলোকপাত করা হলো।








