শ্রীমঙ্গল সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে দেড় কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে জমি নিবন্ধনে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় দেড় কোটি টাকার সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে মৌলভীবাজার জেলা রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো. জসিম মিয়া।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে জমি নিবন্ধনে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় দেড় কোটি টাকার সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। এই অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. জসিম মিয়া বাদী হয়ে মৌলভীবাজার জেলা রেজিস্ট্রার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, এই পুরো প্রক্রিয়ায় ৪.২৭২৬ একর ভূমি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ওই জমির মূল্য ধরা হয়েছিল ৬ কোটি ৪০ লক্ষ ৮৯ হাজার টাকা এবং বায়না বাবদ লেনদেন দেখানো হয় ৬০ লক্ষ টাকা।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০২০ সালের ৮ জুন ১৬২২ নম্বর বায়না দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে এই জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দেড় কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে এই দুর্নীতির অভিযোগের অনুলিপি ইতোমধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং নিবন্ধন পরিদফতর মহাপরিদর্শকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি তদন্তের জন্য এজি অডিটসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরেও অবগত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে শ্রীমঙ্গল সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের বর্তমান কর্মকর্তা শংকর কুমার ধর গণমাধ্যমকে জানান, দলিলগুলোর বায়না রেজিস্ট্রি হয়েছে ২০২০ সালে, আর তিনি এই কার্যালয়ে যোগদান করেছেন ২০২৪ সালে। বায়না রেজিস্ট্রি গোপন রাখা হয়েছিল কিনা, সে বিষয়ে তার কোনো জানা ছিল না বলে তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে মৌলভীবাজার জেলা রেজিস্ট্রার মো. মফিজুল ইসলাম এই অভিযোগের বিষয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, অভিযোগের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। শিগগিরই পরিদর্শনে গিয়ে এটি তদন্ত করা হবে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করে জানান।








