শিশুদের পেটে ইয়াবা বহনের অভিযোগে নারী আটক, উদ্ধার ২০ লাখ টাকা
শিশুদের পেটে ইয়াবা ভরে কক্সবাজারের উখিয়া থেকে চট্টগ্রামে পাচারের অভিযোগে শারমিন আক্তার নামক এক নারীকে আটক করেছে র্যাব-৭। এ সময় দুটি শিশুকে হেফাজতে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসকদের সহায়তায় তাদের পেট থেকে ৬ হাজার ৬১৫টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

শিশুদের পেটে ইয়াবা ভরে কক্সবাজারের উখিয়া থেকে চট্টগ্রামে পাচারের চাঞ্চল্যকর একটি ঘটনা প্রকাশে এসেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শারমিন আক্তার প্রকাশ ইসমত আরা নামক ৪০ বছর বয়সী এক নারীকে আটক করেছে র্যাব-৭। একই সঙ্গে আইনগত ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ৯ ও ১২ বছর বয়সী দুটি শিশুকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীটি।
প্রাথমিক অনুসন্ধान ও অভিযانের তথ্য অনুযায়ী, ৭ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের উখিয়া এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারা এলাকায় এই অভিযান ও ঘটনাটি পরিচালিত হয়। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭ জানতে পারে যে, একটি চক্র শিশুদের পেটের ভেতরে বিশেষ কৌশলে ইয়াবা বহন করিয়ে তা পাচার করছে।
ঘটনাটির মূল কেন্দ্র ছিল চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানার সরকার হাটের তৈলার দ্বীপ ব্রিজসংলগ্ন গরুর বাজার এলাকা। ওই নির্দিষ্ট স্থান থেকেই অভিযুক্ত নারী শারমিন আক্তারকে আটক করা হয় এবং তার সাথে থাকা শিশু দুটিকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো শিশুদের শরীর থেকে বের করতে চিকিৎসকদের সহায়তা নেওয়া হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে র্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, চিকিৎসকদের সহায়তায় ৬ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মলত্যাগের মাধ্যমে ৯ বছর বয়সী শিশুটির পেট থেকে ৬৭টি এবং ১২ বছর বয়সী শিশুটির পেট থেকে ৬৬টি প্যাকেট বের করা হয়।
উদ্ধারকৃত এসব প্যাকেট প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শিশুদের পেট থেকে বের করা এসব প্যাকেট থেকে সর্বমোট ৬ হাজার ৬১৫টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা এই বিপুল পরিমাণ ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা। শিশুদের পেটে করে মাদক পাচারের এই অভিনব ও অমানবিক ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।








