লঘুচাপের প্রভাবে বৃষ্টি, সমুদ্র ও নদীবন্দরে সতর্কসংকেত
উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাত বাড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন বন্দরকে সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-উড়িষ্যা এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। এই লঘুচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবহাওয়া পরিবর্তিত হতে শুরু করেছে এবং এর ফলে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা দেখা দিয়েছে। ৩০ আগস্ট আবহাওয়া অফিস ও বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। লঘুচাপের এই প্রভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
লঘুচাপের সরাসরি প্রভাবে পটুয়াখালীতে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এই লঘুচাপের বিষয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মাহবুবা সুখি জানিয়েছেন, লঘুচাপটি আরো ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে এবং দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তার এই বক্তব্যের পর উপকূলীয় ও নদীবন্দরগুলোতে সতর্কতা আরও জোরদার করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, লঘুচাপের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলে বায়ুচাপের তারতম্য দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রবন্দরগুলোর জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পায়রা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সমুদ্রবন্দরগুলোর পাশাপাশি নৌ চলাচলের নিরাপত্তার স্বার্থেও সংশ্লিষ্ট এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
নদীবন্দরের ক্ষেত্রেও বিশেষ সতর্কতার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট করে পটুয়াখালী, খুলনা, বরিশাল, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার নদীবন্দরগুলোকে এই ১ নম্বর সতর্কসংকেতের আওতাভুক্ত রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
লঘুচাপের প্রভাবে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়া কিছুটা উত্তাল রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্র ও নদীবন্দরের পাশাপাশি মাছ ধরার ট্রলারগুলোর জন্যও বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মাছ ধরা ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে যাতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়।
সারაკালীন এই লঘুচাপ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে আবহাওয়া অফিস। লঘুচাপটি আরো ঘনীভূত হতে পারে বলে যে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, তার প্রেক্ষিতে উপকূলীয় এলাকার সাধারণ মানুষ ও মৎস্যজীবীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।








