লংগদুতে সন্তানকে বাঁচিয়ে কাপ্তাই হ্রদে তলিয়ে যাওয়া ফালান মিয়ার মরদেহ উদ্ধার
লংগদু উপজেলায় কাপ্তাই হ্রদে সন্তানকে নিরাপদে তুলে দিয়ে নিখোঁজ হওয়া ফালান মিয়ার মরদেহ প্রায় ১৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। সোমবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ডুবে ফালান মিয়া নামের এক ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সন্তানকে বাঁচানোর মহৎ প্রচেষ্টায় নিজের জীবন উৎসর্গ করতে হয়েছে তাকে। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত ফালান মিয়া লংগদু উপজেলার গুলশাখালী ইউনিয়নের ছোট মাহিল্যা গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম মো. শাহাবুদ্দিন। তিনি নিজের পরিবারের সাথে ওই অঞ্চলেই বসবাস করতেন।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, কাপ্তাই হ্রদের পানিতে হঠাৎ করেই বিপদে পড়েছিল ফালান মিয়ার সন্তান। তাৎক্ষণিকভাবে নিজের জীবনের কথা না ভেবে সন্তানকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে আসেন তিনি। নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে সন্তানকে নিরাপদে পানির ওপর তুলে দিতে সক্ষম হন ফালান মিয়া।
তবে সন্তানকে নিরাপদে তুলে দেওয়ার পরপরই তিনি নিজে হ্রদের গভীর পানিতে তলিয়ে যান। এর পর থেকেই তিনি হ্রদের পানিতে নিখোঁজ ছিলেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। দীর্ঘ তল্লাশি অভিযান চালায় তাদের সদস্যরা। অবশেষে সোমবার সকালে কাপ্তাই হ্রদ থেকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা প্রায় ১৬ ঘণ্টা পর ফালান মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হন।
এই বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানান লংগদু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া হোসেন। তিনি বলেন, কাপ্তাই হ্রদ থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত ফালান মিয়ার মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন লংগদু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া হোসেন।








