র্যাবের জন্য ১৬৭ গাড়ি কেনার উদ্যোগ ও নাম বদলের প্রক্রিয়া
র্যাবের বহরে নতুন ১৬৭টি গাড়ি যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ১২০ কোটি টাকা। এর পাশাপাশি এলিট ফোর্সটির নাম পরিবর্তন করে 'স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)' করার প্রক্রিয়া চলছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাজধানী ঢাকায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) অপারেশনাল কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর করার জন্য একটি বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এলিট ফোর্সটির বহরে নতুন ১৬৭টি গাড়ি যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। এই গাড়িগুলো কেনার জন্য আনুমানিক প্রায় ১২০ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে গত মে মাসে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে র্যাবের জন্য ১৬৩টি গাড়ি কেনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে এই গাড়ি ক্রয়ের পরিধি ও প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার লক্ষে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে দাপ্তরিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হয়।
এই গাড়ি কেনা এবং সার্বিক প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও সংস্থাও যুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদরদপ্তর এবং সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এছাড়া গাড়ি সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে।
নতুন এই গাড়িবহরে বিভিন্ন ধরনের মোটরযান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা র্যাবের মাঠপর্যায়ের নানা ধরনের অপারেশনাল ও প্রশাসনিক কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রস্তাবিত গাড়ির তালিকায় প্যাট্রল পিকআপ, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মাইক্রোবাস, প্যাট্রল কারসহ বিভিন্ন উপযোগী যানবাহন রয়েছে।
গাড়ি সংযোজনের এই প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার বাইরে র্যাব ফোর্সের পরিচিতি ও পরিচয়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের একটি প্রস্তাবও বর্তমানে বিবেচনাধীন রয়েছে। সরকার র্যাবের বর্তমান নাম পরিবর্তন করে 'স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)' নামে নতুন একটি পরিচয়ে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এই পুরো পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছেন র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জাহিদুল করিম। তিনি জানান, বাহিনীর কার্যপদ্ধতি ও কাঠামোগত সংস্কারের অংশ হিসেবে এই নাম পরিবর্তনের বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রশাসনিক সংস্কার এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই নাম পরিবর্তন এবং নতুন গাড়ি সংযোজনের উদ্যোগ একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে নাম পরিবর্তনের চূড়ান্ত রূপরেখা এবং নতুন গাড়িগুলো কবে নাগাদ আনুষ্ঠানিকভাবে র্যাব বহরে যুক্ত হবে, সে বিষয়ে পরবর্তী দাপ্তরিক সিদ্ধান্তগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হবে।








