রোদ পোহানোর ইতিহাস এবং স্বাস্থ্যের ওপর এর প্রভাব
১৯২৩ সালে ভূমধ্যমঞ্চে ভ্রমণের মাধ্যমে কোকো চ্যানেল রোদ পোহানোর ফ্যাশন জনপ্রিয় করেন। সুর্যের আলো যেমন ভিটামিন ডি উৎপাদনে সাহায্য করে, তেমনি অতিরিক্ত সূর্যের আলো ত্বকের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

১৯২৩ সালে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে একটি ভ্রমণের পর কোকো চ্যানেল রোদ পোহানো এবং ত্বকে তামাটে বা ব্রোঞ্জ রঙ করার ফ্যাশনটি জনপ্রিয় করে তোলেন। তাঁর এই পদক্ষেপের পর থেকেই সমাজে রোদ পোহানোর প্রবণতা নতুন মাত্রা লাভ করে এবং মানুষের জীবনযাত্রায় এটি একটি জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে পরিণত হয়।
মানবদেহের স্বাস্থ্যের জন্য সূর্যালোকের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে। সূর্যের আলো মানুষের শরীরকে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে। এই ভিটামিন ডি মানবদেহের হাড়ের সুস্বাস্থ্য এবং পেশির স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়।
তবে অতিরিক্ত সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসার কিছু মারাত্মক ক্ষতিকর দিকও রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত মাত্রায় রোদে বা সূর্যের আলোতে সময় কাটালে ত্বকের ক্যানসারের ঝুঁকি বহুগুণে বৃদ্ধি পেতে পারে।
ত্বকের ক্যানসার ছাড়াও অতিরিক্ত রোদ পোহানোর ফলে আরও বেশ কিছু শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে রয়েছে ত্বকে তীব্র রোদে পোড়া ভাব বা সানবার্ন, ত্বকের স্বাভাবিক রঞ্জক পদার্থে পরিবর্তন বা পিগমেন্টেশন এবং ত্বকের অকাল বার্ধক্য বা প্রিমিচার স্কিন এজিংয়ের মতো জটিলতা।
বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিক থেকে মধ্যভাগ পর্যন্ত সময়ে চিকিৎসাক্ষেত্রে সূর্যালোকের নিরাময় ক্ষমতাকে কাজে লাগানো হতো। সে সময় বিভিন্ন স্যানিটোরিয়ামে রিকেটস এবং যক্ষ্মার মতো মারাত্মক রোগের চিকিৎসায় হেলিওথেরাপি অত্যন্ত সাধারণ একটি পদ্ধতি হিসেবে নিয়মিত ব্যবহার করা হতো।








