রাজবাড়ীতে অবৈধভাবে সার বিক্রির দায়ে ডিলারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাজারে নির্ধারিত এলাকার বাইরে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার বিক্রির অপরাধে এক বিসিআইসি ডিলারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলায় সরকারি নিয়ম অমান্য করে নির্ধারিত এলাকার বাইরে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার বিক্রির দায়ে এক সার ডিলারকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে গোয়ালন্দ বাজার এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অবৈধভাবে সার বিক্রির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ওই ডিলারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযুক্ত ডিলারের নাম খন্দকার ফারুক হোসেন। তিনি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) অনুমোদিত একজন সার ডিলার। নিজ নির্ধারিত এলাকা বা উপজেলার বাইরে অবৈধ উপায়ে ইউরিয়া সার সরবরাহের সময় বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে এবং তার বিরুদ্ধে এই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
গোয়ালন্দ উপজেলার গোয়ালন্দ বাজার এলাকায় পরিচালিত এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনতাসির হাসান খান। সেদিন দুপুর ২টায় এই বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। অভিযানে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে আইন শৃঙ্খলা ও ডিলারদের কার্যক্রম তদারকি করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন গোয়ালন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দার। তিনি ডিলারের গুদাম ও কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখেন এবং অবৈধভাবে সার অন্যত্র সরানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কৃষি কর্মকর্তার উপস্থিতিতেই ভ্রাম্যমাণ আদালত ডিলারকে আর্থিক দণ্ডে দণ্ডিত করার এই রায় ঘোষণা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে নিজের দোষ স্বীকার করে বিসিআইসি ডিলার খন্দকার ফারুক হোসেন বলেন, “আমার ঘরে ইউরিয়া সার বেশি থাকায় আমি সারগুলো অন্যত্র পাঠাচ্ছিলাম। অন্য উপজেলায় সার দেওয়া যাবে না, এটা আমার জানা ছিল না। এটা আমার ভুল হয়েছে।”
উল্লেখ্য, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী অনুমোদিত ডিলাররা কেবল তাদের নির্দিষ্ট ডিলারশিপ এলাকার মধ্যেই সার বিতরণ ও বিক্রি করতে পারেন। এর ব্যত্যয় ঘটানো বা অন্য উপজেলায় সার পাচার করা সারের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই ঘটনার মাধ্যমে স্থানীয় সার বাজারে একটি কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।








