রাজধানীর বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি, ডিম ও মাছ
রাজধানীর বাজারে মুরগি, ডিম ও মাছের উচ্চমূল্যের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। বাজারে প্রতিটি পণ্যের দাম চড়া থাকায় বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। বাজারে মুরগি, ডিম ও মাছের দাম চড়া থাকায় খেটে খাওয়া মানুষসহ মধ্যবিত্তরা মারাত্মক বিপাকে পড়েছেন। নিত্যদিনের এই বাজারে গিয়ে ক্রেতাদের পকেট ফাঁকা হচ্ছে।
বাজারে মুরগির দাম এখনও বেশ উঁচুতে রয়েছে। বিক্রেতা আনিস আহমেদ জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে মুরগির দাম আগের মতো আছে। তিনি বলেন, 'গত সপ্তাহে তুলনায় এই সপ্তাহে মুরগির দাম আগের মতো আছে। আজকে ১৯০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি। গত সপ্তাহে একই দাম ছিল। সোনালি মুরগির দাম আগের মতোই আছে। ৩২০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি।' বর্তমানে রাজধানীতে ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা কেজি, সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজি এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে।
মুরগির পাশাপাশি ডিমের বাজারেও স্বস্তি নেই। সাদা ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায় এবং বাদামি ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। তবে পাড়া-মহল্লার খুচরা দোকানে ডিমের দাম আরও বেশি, সেখানে ডিম ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা ডজন পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে ক্রেতাদের দীর্ঘশ্বাস আরও দীর্ঘ হচ্ছে। বাজারে ২৫ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না বলে ক্রেতারা জানিয়েছেন। বাজারে মাছ কিনতে আসা আবু দাউদ বলেন, 'বাজারে মাছ কিনতে এসে এখন রীতিমতো অবাক হতে হয়। ২৫০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। তেলাপিয়াও আড়াইশ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আমাদের মতো মধ্যবিত্তদের জন্য বাজার করাই কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে।'
মাছ বিক্রেতা কফিল উদ্দিন জানান, মাছের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই। তিনি বলেন, 'মাছের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে একদিন ২০ থেকে ৩০ টাকা কমছে তো পরদিনই আবার বাড়ছে।'
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি, মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি এবং বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি, চাষের কই ৩০০ টাকা কেজি, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি, ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি, পোয়া ২৬০ টাকা কেজি, শোল ৭০০ টাকা কেজি, চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি এবং বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে মাছের বাজারে চিংড়ি ও ইলিশের দাম আরও চড়া। ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৫০০ টাকায় এবং ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রায় ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।








