রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির চড়া দামে ক্রেতাদের অস্বস্তি
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে বৃষ্টি ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় সবজির দাম চড়া রয়েছে। এতে সাধারণ ক্রেতারা তীব্র অস্বস্তি ও হিমশিম অবস্থার মধ্যে পড়েছেন। ২৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, পেঁপে ও কাঁচকলা ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজিই ৭০ টাকা কেজির ওপরে বিক্রি হচ্ছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে সবজির চড়া দামের কারণে ক্রেতাদের মধ্যে চরম অস্বস্তি বিরাজ করছে। ২৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ঢাকার শেওড়াপাড়া, রাইয়ানখোলা, মহাখালী, মিরপুর, আগারগাঁও ও কল্যাণপুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে যে, বাজারে সবজির দাম অত্যন্ত চড়া। অতিবৃষ্টির কারণে সবজির উৎপাদন ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় খুচরা বাজারে এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
বর্তমান বাজারে পেঁপে ও কাঁচকলা ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজিই ৭০ টাকা কেজির ওপরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। বাজারগুলোতে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং কাঁচকলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে অন্যান্য সবজির ক্ষেত্রে চিত্র পুরোপুরি ভিন্ন ও ব্যয়বহুল।
বাজারে আসা ক্রেতারা জানান, প্রয়োজনীয় প্রায় প্রতিটি সবজিই চড়া দামে কিনতে হচ্ছে। বর্তমানে বাজারে কচুমুখী ৮০ টাকা কেজি, গোল বেগুন ১২০ টাকা কেজি, বরবটি ১০০ টাকা কেজি এবং লম্বা বেগুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ঝিঙা ও করলা প্রতি কেজি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যান্য সবজির মধ্যে লাউ প্রতি পিস ৬০ থেকে ৭০ টাকা, শিম ২০০ টাকা কেজি, গাজর ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শীতের মৌসুম ছাড়া অন্য সময়ে সাধারণত সবজির বাজার এমন উচ্চ মূল্যে থাকে না বলে জানান বাজার সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে বাজার পরিস্থিতি তুলে ধরে মিজানুল আলম বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে সবজির উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। পাইকারি বাজারেও সরবরাহ কমেছে। এর প্রভাব খুচরা বাজারে পড়েছে।
অন্যদিকে ক্রেতা মোয়াজ্জেম মন্তব্য করেন, শীতের মৌসুমে সবজির দাম তুলনামূলক কম থাকে। অন্য সময় সাধারণত ৫০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বেশির ভাগ সবজি পাওয়া যায়। বর্তমান উচ্চমূল্যে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠছে।
রাবেয়া বেগম নামের এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আগে কম টাকায় এক ব্যাগ সবজি কিনতাম। এখন এক ব্যাগ টাকা দিয়েও সবজিতে ব্যাগ ভরে না। দেশে উৎপাদিত প্রায় সব সবজির দামই বেশি। ব্যবসায়ীরা নিজেদের ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করায় সাধারণ ক্রেতাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
আরেক ক্রেতা ফাতিহা ইসলাম জানান, ২০ থেকে ৩০ টাকার নিচে কোনো শাক পাওয়া যায় না। দুই-তিন পদ সবজি কিনতেই ২০০ টাকার বেশি খরচ হয়ে যাচ্ছে। ফলে এক হাজার টাকার বাজারে সামান্য পণ্য নিয়েই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। জাগো নিউজ-এর তথ্য অনুযায়ী সামগ্রিক এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন বাজেট মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।








